চাঁদপুর শহরের সড়কের দু’পাশ মুজিববর্ষের প্ল্যাকার্ড ফ্যাস্টুন ছাড়া অন্য কিছু থাকবে না

আসছে ১৭ মার্চ বাঙালির কাঙ্ক্ষিত দিবস ‘মুজিববর্ষ’। এদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী। স্বাধীন বাংলার এই মহান স্থপতির জন্ম শতবার্ষিকীকে যুগ যুগ ধরে স্মরণীয় করে রাখতে বাঙালি এই বর্ষকে ‘মুজিববর্ষ’ হিসেবে উদ্যাপন করবে। বর্ষটি হচ্ছে ১৭ মার্চ ২০১০ থেকে ১৭ মার্চ ২০২১। এই মুজিববর্ষ উদযাপনের ক্ষণগণনা এখন চলছে। এই ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে সারাদেশে একযোগে ১০ জানুয়ারি থেকে। এদিনটিও বাঙালির জন্যে অত্যন্ত তাৎপর্যবহ।

সারাদেশেই এখন মুজিববর্ষ উদ্যাপনে নানা প্রস্তুতি চলছে। চাঁদপুরও এর থেকে পিছিয়ে নেই। ইতিমধ্যে সরকারিভাবে একাধিক প্রস্তুতি সভা হয়েছে। চূড়ান্ত প্রস্তুতি সভা হবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে। এছাড়া দলীয়ভাবে তথা ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগও নানা প্রস্তুতি নিচ্ছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি এবং দলীয়ভাবে ব্যাপক কর্মসূচি চাঁদপুরেও নেয়া হচ্ছে। এই একটি বছর এমন কিছু কর্মসূচি থাকবে, যা হবে স্থায়ীভাবে মডেল স্বরূপ। যেমন আদর্শ গ্রাম, আদর্শ ইউনিয়ন, আদর্শ শহর ইত্যাদি। এই দীর্ঘমেয়াদী কিছু কর্মসূচি ছাড়াও বাহ্যিক সৌন্দর্য বর্ধনের কিছু কর্মসূচিও নেয়া হয়েছে চাঁদপুর পৌরসভা এবং প্রশাসন থেকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে : চাঁদপুর শহরের সড়কের দু’ পাশে এবং আশপাশে কোনো ধরনের ব্যানার, ফ্যাস্টুন, বিলবোর্ড, তোরণ থাকবে না। থাকবে শুধুমাত্র মুজিববর্ষ সংশ্লিষ্ট প্ল্যাকার্ড, ফ্যাস্টুন ও বিলবোর্ড। ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রচার সম্বলিত কোনো কিছুই থাকবে না। এখন যা দৃশ্যমান রয়েছে, সব অপসারণ করা হবে। একই সাথে প্রধান সড়কগুলোর দু’ পাশের বাসা-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেয়াল রং করে সুসজ্জিত করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেয়াল মুজিববর্ষের ব্যানার দ্বারা সুসজ্জিত করা হবে। এ কাজটি ইতিমধ্যে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে ফেলেছে। সড়কের উপর, দুপাশ এবং আশপাশের সব ব্যানার ফেস্টুন অপসারণ সহসা শুরু করবে চাঁদপুর পৌরসভা। এছাড়া সড়কের পাশে পুকুর, জলাশয়, লেকগুলোও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হবে। ইতিমধ্যে এ কাজও শুরু হয়ে গেছে। সবমিলিয়ে চাঁদপুর শহর সবদিক দিয়ে সৌন্দর্যম-িত করে তোলা হবে মুজিববর্ষকে কেন্দ্র করে। আর এর সুফল ভোগ করবে আপামর জনগোষ্ঠী।