প্রতিদিন সন্ধ্যার পর হতে শ্রীরামদী এলাকার মোল্লা বাড়ি, মাঝি বাড়ি ও ঢালী বাড়ি পর্যন্ত সড়কের উপরেই দাঁড়িয়ে থেকে মাদকদ্রব্য আদান প্রদান করে থাকে। মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের মাদক পাচার কাজে ছোট শিশু, নারী, নৌকার মাঝি, রিক্সা চালক, সিএনজি স্কুটার চালকদের ব্যবহার করে থাকে। আর মাদক সেবন করে এলাকার স্কুল কলেজ মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রসহ উঠতি বয়সী যুবকরা মাদক সেবনের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। আর বিপথগামী হচ্ছে এলাকার যুবসমাজ ও ছাত্ররা। মাদক বেচাকেনা ওপেন সিক্রেটে পরিণত হলেও কেউ মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কথা বলছে না।
একটি সূত্র জানায়, মাদক ব্যবসায়ীরা প্রভাবশালী মহলসহ দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ব্যবসা করছে। দেখা যাচ্ছে পুলিশ যাওয়ার পূর্বেই ঐ মহলটি মাদক ব্যবসায়ীদের জানিয়ে দেয়। তখন মাদক ব্যবসায়ীরা মাদকসহ নিরাপদে চলে যায়। অনেক সময় পুলিশ মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করলেও আটককৃতদের দালালরা তাদের ছাড়িয়ে নেয়।
একটি সূত্র জানায়, মাদক ব্যবসায়ীরা বাড়ির আশপাশের ঝোপ ঝাড়ে, বাগানে এমনকি মানুষের শেষ ঠিকানা কবরস্থানেও মাদক রেখে দেয়। আর ঐ এলাকার কিছু মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে তাদের নামের তালিকা থানা পুলিশের নিকট রয়েছে। এলাকার ক’জন মাদক ব্যবসায়ী হচ্ছে : জামাল মোল্যা, মোশারফ ঢালী, জুলহাস ঢালী, খলিল দেওয়ান, বেজী সুমন, রাজু মোল্যা, সবুজ, চোরা জামাল, ফেন্সী মামুন, বাচ্চু, উজ্জ্বল, অলি চোরা, মাহমুদ মিজি, লিটনসহ আরো অনেকে।
পুরাণবাজার এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় মাদক নির্মূল সম্ভব হচ্ছে না। এ ব্যাপারে পুরাণবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহাবুব মোল্যা জানান, সকলের সার্বিক সহযোগিতা পেলে মাদক নির্মূল করা সম্ভব। আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি মাদক বিক্রি বন্ধ করার জন্যে। আমরা মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আটক করে থাকি। মাদক ব্যবসায়ীরা সমাজের শত্রু। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলবেই। চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আঃ কাইয়ুম জানান, এক সপ্তাহে ১২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

