শাহরাস্তির প্রধান সড়কের দোয়াভাঙ্গা রেল ক্রসিংয়ে গেট ও গেটম্যানের অভাবে প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরদারি অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী। শাহরাস্তিতে ৭টি রেল ক্রসিংয়ের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দোয়াভাঙ্গা রেল ক্রসিংটি। উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে প্রবেশ করার ব্যস্ততম সড়ক দোয়াভাঙ্গা-কালীবাড়ি সড়কটি। এ সড়কটি বর্তমানে অত্যন্ত ব্যস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক হিসেবে পরিচিত। ওই সড়কের লেভেল ক্রসিংয়ে দীর্ঘদিন ধরে কোনো গেট বা গেটম্যান না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে যানবাহন চলাচল করছে। এ সড়ক দিয়ে গড়ে প্রতি মিনিটে ৫-৭টি করে বিভিন্ন প্রকার যানবাহন যাতায়াত করে। ট্রেন আসার সময় চলমান যানবাহনের আগাম সংকেত পাওয়ার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়তই ঘটছে এ ধরনের দুর্ঘটনা। এ বিষয়ে এলাকাবাসী জানায়, ইতোপূর্বে এ ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনায় অনেকের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। গাড়ি চালনার নির্দেশিত নিয়মাবলী উপেক্ষা করে চালকদের বেপোরোয়া গতি ও প্রতিযোগিতামূলক গাড়ি চালনাও এ ধরনের দুর্ঘটনার ইঙ্গিত বহন করছে।
এছাড়াও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে অতি দ্রুত উক্ত স্থানে গেট এবং একজন গেটম্যান নিয়োগের দাবি জানান তারা।
জানা যায়, গত ১০ জুলাই বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় দোয়াভাঙ্গা রেল ক্রসিংয়ে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। ওই দুর্ঘটনায় ট্রাক্টর-ট্রেনের সংঘর্ষে তিন ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকার সুশীল ব্যক্তি ও উপজেলা সমাজ উন্নয়ন প্রচেষ্টার সভাপতি গাজী মোঃ ফিরোজ আহমেদ এ ঘটনার আলোকে উক্ত স্থানে গেট ও গেটম্যান স্থাপন, নিয়োগের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পৌর মেয়র বরাবর লিখিত আবেদন করেন।
