
শাহায়ারির খান কৌশিক ॥ চাঁদপুর শহরের পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড উত্তর রঘুনাথপুরে গায়বী কুয়া সন্ধান পাওয়া গেছে। মনের বাসনা মিটাতে পানি নিতে বিভিন্ন জেলা থেকে পুরুষ মহিলা দল বেধে আসে। গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উত্তর রঘুনাথপুর ভাঙ্গাপুল এলাকার ভূইয়ার বাড়ির পাশে বিলের মাঝখানে একটি গায়বী কুয়া হয়েছে। গায়বী কুয়ার পানি নিয়ে খাওয়ার জন্য বিভিন্ন জেলা থেকে দলে দলে মহিলা পুরুষ সিএনজি, অটোরিক্সা মাইক্রোবাস যোগে এসে কুয়ার পাশে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। কবিরাজদের কথা মতো দম বন্ধ করে বোতলে পানি ঢুকিয়ে মহিলা পুরুষদের নিতে দেখা যায়। প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত গায়বী কুয়া থেকে পানি নিতে শতশত মানুষ ঘটনাস্থলে আসছে। গায়বী কুয়ার পানি নিতে আসা তারা জানায়, এ কুয়া থেকে পানি নিয়ে খাওয়ার পর মনের বাসনা পূর্ন হয়েছে। এ পানি খেয়ে দুরদূরান্তের মানুষ সুফল পেলেও এলাকার মানুষ তা বিশ্বাস করে না। কথায় আছে বাড়ি মানুষ হজ্ব পায় না। তেমনি এলাকার মানুষ এসুফল বিশ্বাস না করায় সুফল ভোগ করতে পারি নি। ছাত্রলীগ নেতা খোরশেদ আলম বাহার জানায়, ভূইয়া বাড়ীর পাশে মহসিন গাজী ও আলী গাজীর ৭-৮ শতাংশ সম্পত্তির উপর হঠাৎ করে একটি গায়বী কুয়া সৃষ্টি হয়। এ গায়বী কুয়ার খবর পেয়ে কবিরাজদের কথা মতো পানি নিতে মহিলা পুরুষ প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা গয়বী কুয়ার পানিকে তাদের মন বসনা পূর্ণ হচ্ছে এমন কথা তারা বললেও এলাকাবাসী তা বিশ্বাস করে না। প্রতিদিন রাতে কুয়ার পাশে জ্বীন পরীদের ঘুরাফেরা করতে দেখেছে অনকে। ঐ সম্পত্তির মালিক মহসিন গাজী জনায় ১০ বছর পূর্বে হঠাৎ রাতে বর্ষা মৌসুমে এ গায়বী কুয়াটি উৎপন্ন হয়। দুদিনের মধ্যে ছোট থেকে বিশাল বড় কুয়ায় পরিনত হয়েছে। বেশ কয়েকবার এ কুয়ার পানি সেচ দেওয়ার জন্য সেচ মিশিন লাগিয়ে সেচ দেওয়ার থেকে অরো বেশি পানি উঠতে থাকে। রাতের বেলায় জিন পরিদের কুয়ার পাশে আড্ডায় পরিনত হয় তাই ভয়ে কেউ রাতে কুয়ার পাশ দিয়ে আসে না। প্রতিদিন ভোর তেকে শুরু হয় পানি নেওয়ার কাজ। পুরুষ কাউকে বুঝতে না দিয়ে কুয়া থেকে পানি নিয়ে নীরবে চলে যায়। আবার কেউ কেউ এপানি বোতলে ঢুকিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করারও খবর পাওয়া গেছে। এ পানিতে সকল মনের বাসনা পূর্ণ হয়েছে এমন খবর জানিয়েছে পানি নিতে আসা লোকজন। তবে সত্য না মিথ্যা তা জানা নেই।
শিরোনাম:
শনিবার , ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ৪ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
