শাহরিয়ার খান কৌশিক ॥
গত ৫ই জানুয়ারী গনতন্ত্র হত্যা দিবসে নয়া পল্টনে ২০ দলীয় জোটের কালো পতাকা সমাবেশ করতে না দেওয়া ও সারাদেশে ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মিদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দেয় বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। অবরোধ চলাকালে চাঁদপুরের বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে এবং চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে জনগনের জানমালের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছে ২০ দলীয় জোট নেতাকর্মিরা। এসব নাশকতা রোধে জেলা পুলিশ প্রশাসন তাদের যথাযথ ভুমিকা পালনে ছিলো তৎপর। গত শনিবার গভির রাতে শহরের মঠখোলায় বেশকয়েকটি গাড়ী ভাংচর ও পেট্রোল বোমা বিষ্পোরনের ঘটনা ঘটে। গাড়ী ভাংচুর-প্রেট্রোল বোমা নিক্ষেপের ঘটনায় মডেল থানার এএসআই আহসানুজ্জামান লাবু ও পুরান বাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহবুব মোল্লা ২ জনকে আটক করেছে। আটককৃতদের গতকাল রবিবার আদালতে প্রেরণ করলে আদালত তাদেও জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। জানাযায়, তরপুরচন্ডি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সদস্য ও সাবেক ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছাত্তার খানের ছেলে ইমরান (৩০) মঠখোলায় পেট্রোল বোমা বিষ্পারনের ঘটনায় এএসআই আহসানুজ্জামান লাবু তাকে শনিবারর রাত ২ টায় তার বাড়ী থেকে গ্রেফতার করে থানায়নিয়ে আসে। এদিকে পুরাণ বাজার ইনচার্জ মাহবুব মোল্লা পুরান বাজারের হাসনাত খানের ছেলে মনির হোসেন (২৮) কে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সুত্রে জানাযায় হরতাল অবরোধ চলাকালে ২০ দলীয় জোটের নাশকতা ঘটনায় যাদেও বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
এদিকে অবরোধকে কেন্দ্র করে সারাদেশের ন্যায় ২০ দলীয় জোট অধিকাংশ নেতাকর্মির নামে মামলা হওয়া এবং নতুন মামলায় জড়ানোর আশংকায় অনেকে রাজপথে বের হয়নি। সবমিলিয়ে শহরের অফিস আদালত গুলোতে এবং সড়কগুলোতে স্বাভাবিক সময়ের মতো লেনদেন ও কার্যক্রম চলেছিলো।

