রফিকুল ইসলাম বাবু ॥
চাঁদপুর শহরের বড় ষ্টেশন টেম্পুঘাট ঠোটার মাথা থেকে এক গার্মেন্ট কর্মী (২০) কে জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে গনধর্ষন করেছে যমুনারোডস্থ এলাকার বখাটে যুবক চক্র। ধর্ষনের শিকার হওয়া মেয়েটি জানায়, তার বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার বাসগাড়ি চরের ঢালিকান্দি এলাকায়। সে সিরাজ মাতাব্বরে মেয়ে। দীর্ঘদিন যাবৎ সে ঢাকা বাড্ডা এলাকায় ফিমিয়া গার্মেন্টে চাকুরী করতো। শুক্রবার রাত ১১ টায় ঢাকা থেকে চাঁদপুরের উদ্যেশে সদর ঘাট থেকে আব এ ঝমঝম লঞ্চে করে রওনা দেয়। আব এ ঝমঝম লঞ্চটি চাঁদপুর লঞ্চঘাটে পৌঁছে রাত ৩ টায়। এ সময় লঞ্চ থেকে নেমে মেয়েটি তার দেশের বাড়ি যাওয়ার জন্য বড় ষ্টেশন ঠোটা এলাকায় ট্রলার ঘাটে আসে। সেখানে গভির রাত থাকায় টেম্পু না পাওয়ায় সে পাশে মনিরের খাওয়া দাওয়ার হোটেলে বসে টেম্পুর জন্য অপেক্ষা করে। এ সময় বেশ কিছু বখাটে যুবক মেয়েটির পিছু নেয়। উক্ত বখাটে যুবকরা যমুনারোডস্থ সেপু, টিপু কবিরসহ আরো কয়েকজন মেয়েটিকে মনিরের খাওয়া দাওয়ার হোটেল থেকে জোরপূর্বক উঠিয়ে যমুনারোডস্ত ইবুর অটোরিক্সার গ্যারেজে নিয়ে আসে। সেখানে মেয়েটিকে তারা পালাক্রমে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণ করে। ধর্ষন শেষে মেয়েকে মেরে ফেলতে চাইলে মেয়েটির আত্ম চিৎকার করলে স্থানীয় এলাকার মুসল্লীরা গ্যারেজের সার্টার খুলে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় ধর্ষনকারীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে ধর্ষনকারী সেকুর মা রুকি বেগম মেয়েটিকে বাড়িতে নিয়ে ঘটনাটি পুলিশকে না জানানোর চাঁপ প্রয়োগ করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় মেয়েটি জিআরপি পুলিশকে ঘটনাটি জানানোর জন্য যায়। কিন্তু জিআরপি থানা পুলিশ বিষয়টি তেমন কর্নপাত না করে চাঁদপুর মডেল থানার দিকে মেয়েটিকে পাঠিয়ে দেয়। খবর পেয়ে মডেল থানা পুলিশের এস আই জাফর সঙ্গিয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত কাউকে আটকের খবর পাওয়া যয়নি। মেয়েটি বর্তমানে চাঁদপুর মডেল থানার হেফাজতে রয়েছে।
