
রফিকুল ইসলাম বাবু ঃ
পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে সারাদেশের মত চাঁদপুরের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ছুটতে নিজ নিজ কর্মস্থলে। মানুষ জীবন-জীবিকার তাগিদেই প্রিয়জনদের ছেড়ে আবারো দূর-দূরান্তে শেষ মুহূর্তে কর্মস্থলে ফিরছেন। চাঁদপুরের লঞ্চঘাট থেকেই হাজারো যাত্রীর উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। এরপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ছুটছে মানুষ কর্মস্থলে। ঈদের পর দিন থেকে যাত্রীদের তেমন ভীড় না থাকলেও শনিবার থেকেই লঞ্চ ও ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের ভীড় বাড়তে শুরু করে। প্রতিদিনই সেই ভীড় আরো বাড়তে থাকে। এদিকে চাঁদপুর শহরের মাদ্রাসা রোড লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা যায়, মানুষের উপচেপড়া ভীড়। অনেকেই লঞ্চ না পেয়ে বাড়ি ফিরে যায়। এ সময় যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, ঈদ মৌসুমে লঞ্চে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়, লঞ্চের সময়সূচির বিপর্যয়, যাত্রী হয়রানি, চাঁদপুর রুটের লঞ্চ রেখে অন্য স্থানের লঞ্চ চলাচল এবং যাত্রী নিয়ে টানা-হেঁচড়াসহ বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়। তারপরও ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষ বৃষ্টিতে শত কষ্ট ও দুর্ভোগ শিকার করে কর্মস্থলে ফেরার চেষ্টায় চাঁদপুর লঞ্চঘাটে অপেক্ষার প্রহর গুণছেন। একাধিক যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, লঞ্চ ছাড়ার ১ থেকে দেড় ঘন্টা আগে এসেও লঞ্চে উঠতে পারিনি। বরং সময়েরও অনেক আগেই লঞ্চ ছেড়ে যাচ্ছে। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে লঞ্চগুলো অতিরিক্ত যাত্রী তুলছে। এ ব্যাপারে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদ মৌসুমে পূর্বের সময়ের সাথে মিল রেখে লঞ্চ চালানো সম্ভব হয়না। কারন, অতিরিক্ত যাত্রী নিয়েও সময়ের অনেক আগে লঞ্চ ছেড়ে দিতে বাধ্য হই।
