চাঁদপুর শহরের নিশি বিল্ডং কসাই খানা রোডে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখলকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটানা ঘটেছে। সংর্ঘষে উভয় গ্রুপেওর ১০ জন আহত হয়েছে। এছাড়া হর্কাস মার্কেট চাঁদপুর ক্লথ স্টোরে ভাংচুর চালায় হামলাকারীরা।
আজ বুধবার সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়ে দফায় দফায় এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। কসাই খানা রোডে সংখ্যালঘুদের ৩০ শতাংশ পুকুর ড্রেজারের মাধ্যমে বালু দিয়ে ভরাট করে দখল করাকে কেন্দ্র করে ঘটনাস্থলে, হর্কাস মাকেট ও পৌর সভা ভিতরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। চাঁদপুর পৌর সভায় সফর আলী মাস্টারকে হামলা করে আহত করার সময় পৌর কমিশনার ফরিদা ইলিয়াছ ৩ হামরাকারীকে আটক করে পৌর সভার একটি কক্ষে আটকে রাখে। এ কিছুক্ষন পর ভিতর থেকে পিছনের জানালা ভেঙ্গে পালিয়ে যায়। সফর আলী মাস্টারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী হকার্স মার্কেটের মজিবের মালিকানাধী চাঁদপুর ক্লথ স্টোরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে।
জানা যায় কসাই খানা রোডে সংখ্যালঘুদের একটি পুকুরের একটি জায়গার দুটি দলিল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃর্স্টি হয়। দুই পক্ষই মালিকানা দাবী করে আদালতে নিষেধাজ্ঞা মামলা দায়ের করে। আদালত নিষেধাজ্ঞা মামলাটি থারিজ করে দেওয়ার পর গতকাল বুধবার যুবলীগ নোত মজিব ও তার সহযোগীরা ড্রেজার মাধ্যমে বালু দিয়ে পুকুর ভরাটেরকাজ শুরু করে। এসময় পতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে অর্কিতভাবে হামালা চালিয়ে তাজুল ইসলাম খোকন (৪২), মোস্তফা বেপারী (৫৫), করিম (২৮)কে কুপিয়ে আহত করে ড্রেজারে পাইপ ভাংচুর করে। সে ঘটনায় প্রতিপক্ষ সফর উদ্দিন মাস্টার পৌর সভায় যাওয়ার পর তাকে লক্ষ করে হামলা চালায়। সফর উদ্দিন মাস্টারকে হামলা করারর প্রতিবাদে তার পক্ষ হয়ে একদল সন্ত্রাসী মজিবের দোকানে হামালা ও পৌরসভার সামনে নিশি বিল্ডিয়ের মিল্টনকে আহত করে। এঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আহতারা জানায়, হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি ক্রয় করে বালু দিয়ে ভরাট করতে গেলে সফর উদ্দিন মাস্টারের নেতৃত্বে মিলন, ছিডুসহ ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল আমাদেরর উপর অর্তকিত হামাল চালায়। এঘটনায় প্রায় ৩লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।

