ফরিদগঞ্জ: উপজেলার সন্তোষপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিন স্কুলে গিয়ে জানা যায়, স্কুলটির প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২১ জানুয়ারি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়ার প্রেক্ষিতে ১৩টি আবেদনপত্র জমা পড়ে। এতে বাছাই কমিটি ৯টি আবেদন বৈধ ঘোষণা করে ৯ জনের অনুকূলে ইন্টারভিউ কার্ড ইস্যু করে। এতে ৬ জন প্রার্থী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন বিগত ২৩ মার্চ/২০১৩ এ । তাতে মোঃ মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। সে আলোকেই সাক্ষাত্কার বোর্ডের ডিজি প্রতিনিধি তাকে নিয়োগের সুপারিশ করেন। ডিজি প্রতিনিধি ও চাঁদপুর সরকারি হাসান আলী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেন সত্যতা স্বীকার করে মুঠো ফোনে জানান, আমরা পরীক্ষা নিয়ে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত ব্যক্তিকেই নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছি।সংশ্লিষ্ট স্কুল কমিটির সভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম খোকন জানান, নিয়োগ বোর্ড পুনরায় বিজ্ঞপ্তি দিতে বলেছে সন্তোষজনক প্রার্থী না পাওয়ার কারণে। এদিকে সভাপতির বক্তব্যের সাথে নির্বাচন বোর্ডের কারো বক্তব্যে মিল নেই। সভাপতির বিরুদ্ধে দু’ প্রার্থীর কাছ থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা নেয়ার অভিযোগের কথা তিনি অস্বীকার বলেন, তা সঠিক নয়।
তবে তিনি কোন প্রশ্নেরই সঠিক জবাব দিতে পারেননি। স্কুলটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, নির্বাচনী বোর্ড সভাপতিসহ যে সিদ্ধান্ত বিধি মোতাবেক দেবেন তাই আমি কার্যকর করবো। এদিকে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী মিজানুর রহমান বিএসসি বি-এড জানান, আমি বিধি মোতাবেক লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নির্বাচিত হওয়া সর্তেও সভাপতি আমাকে নিয়োগ না দেয়ার পায়তারা করছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ বাকি বিল্লাহ জানান, আমরা বিধি মোতাবেক স্বাক্ষাত্কার নিয়ে নিয়োগের সুপারিশ করেছি। এখন নিয়োগ দেয়া না দেয়া নির্ভর করছে কার্যকরী কমিটির উপর।
