
মাহবুবা জান্নাত: সরকারের অনুমোদন ছাড়াই বিক্রি হচ্ছে ‘ফুড সাপ্লিমেন্ট’। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর বা বিএসটিআই কোন প্রতিষ্ঠানই এগুলোর নিয়ন্ত্রন বা গুনগত মান যাচাই করে না। অথচ চিকিৎসকরা রোগীদের ব্যবস্থাপত্রে লিখে যাচ্ছেন নানা ধরনের এসব খাদ্য সম্পূরকের নাম। যেটাকে এক ধরনের প্রতারণা বলেই মনে করছে কর্তৃপক্ষ।
ওষুধ কিনতে আসা এক ব্যক্তির ব্যবস্থাপত্রে তিনটি ওষুধের সাথে রয়েছে ‘ক্যাপসুল সোলারি’ নামে একটি আইটেম। ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন একএম.বি.বিএস চিকিৎসক। বাজারে থাকা ফুড সাপ্লিমেন্টগুলোর সরকারি অনুমোদন আছে কি না তা জানেন না তিনি। এখন বেশীরভাগ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রের অন্যতম অনুষঙ্গ এই ফুড সাপ্লিমেন্ট। ওষুধ বিক্রেতারা জানালেন, শতকরা ৬০ ভাগ ব্যবস্থাপত্রেই একটি দুটি ফুড সাপ্লিমেন্ট বা ডায়েটারি সাপ্লিমেন্টের নাম লেখা থাকে।
খাদ্য সম্পূরক হিসেবে বিক্রি হলেও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের মান নির্ধারন ও নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই বলছে, ফুড সাপ্লিমেন্ট তাদের এখতিয়ারভুক্ত নয়। আবার ওষুধ প্রশাসনেরও আওতায় নেই এটি। বিএসটিআই এর উপ পরিচালক মো: তাহের জামিল বলেন সরকারকেই নির্ধারণ করতে হবে কোন প্রতিষ্ঠান এটা দেখবে।
বি ম্যাক্স যখন চিকিৎসক ব্যব্স্থাপত্রে লেখেন, রোগী তখন ওষুধ ভেবেই অনেক দাম দিয়ে এটি কেনে। এতে ভিটামিন ডি, থিয়ামিন এসব উপাদান আদৌ আছে কি না তা জানে না তারা। জানে না ওষুধ প্রশাসনও। তবে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর জানিয়েছে, ওষুধ নীতিতে যে সংশোধনী আসছে তাতে বিষয়টি ওষুধ প্রশাসনের আওতায় আনার সুপারিশ রাখা হয়েছে।
শিরোনাম:
মঙ্গলবার , ১৭ মার্চ, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ৩ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
