হাজীগঞ্জের বাকিলায় এক মাদ্রাসার ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে আসামীদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় ছাত্রীর পরিবার ৬জনকে আসামী করে রোববার সকালে হাজীগঞ্জ থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। এদের মধ্যে ৩ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন : উপজেলার বাকিলা ইউনিয়নের স্বর্ণা গ্রামের খোকন গাজী (২৮), পারুল বেগম (১৯) ও মোঃ শিহাব (১৮)। আটক খোকন গাজী ও পারুল বেগম আপন ভাই-বোন।
ছাত্রীর পরিবার ও থানায় দায়ের করা মামলা সূত্রে জানা গেছে, অপহৃত ছাত্রী উপজেলার বাকিলা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসায় আলিমে অধ্যয়নরত। ছাত্রীটি মাদ্রাসায় আসা-যাওয়ার পথে স্বর্ণা গ্রামের সোলেমান গাজীর ছেলে নূরে আলম গাজী দীর্ঘদিন ধরে তাকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। শনিবার সকালে ছাত্রীটি বাড়ি থেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নূরে আলমসহ ৫/৬ জন মিলে সিএনজিচালিত অটোরিঙ্ায় তুলে জোরপূর্বক ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
থানা কমপ্লেঙ্ েমেয়ের মা জানান, অপহরণের পরে নূরে আলম তাকে ফোন করে তার মেয়ে তার হেফাজতে আছে বলে জানায়। তিনি তার মেয়েকে বাড়ি পেঁৗছে দিতে বলেন। নূরে আলম মেয়েকে ফিরিয়ে না দেয়ায় তিনি শনিবার সন্ধ্যায় থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ জয়নাল আবেদীন জানান, মেয়ের মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে নূরে আলমের ভাই-বোন ও এক বন্ধুকে আটক করা হয়েছে। রোববার সকালে তাদের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ হুমায়ুন কবির জানান, আসামীদের গতকাল দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আর ছাত্রীকে উদ্ধারে পুলিশি অভিযান চলছে।
তবে নূরে আলমের বোন পারুল বেগম জানান, ওই মেয়ের সাথে তার ভাইয়ের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছে। মেয়ের মা সম্পর্ক মেনে না নিয়ে আমাদের মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।
