শাহরাস্তি ব্যুরো ঃ
শাহরাস্তিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরীর হামলায় একই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক লাঞ্ছিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলার সূচীপাড়া উত্তর ইউপির সূচীপাড়া যুক্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সূত্রে জানাযায়, ওই দিন বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী কাম দপ্তরী মোঃ সোহেল হোসেনকে বিদ্যালয়ে না দেখে বিদ্যালয়ের কাজের জন্য সহকারি শিক্ষক মোঃ কামাল হোসেন তাকে মোবাইলে কল দেয়। এতে নৈশ প্রহরী সোহেল কল রিসিভ না করে কেটে দেয়। শিক্ষক বার বার কল করে তাঁর প্রতি উত্তর না পেয়ে মেসেজ পাঠায়। নৈশ প্রহরী মেসেজ পেয়ে বিদ্যালয়ে এসে সহকারী শিক্ষক কামালের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালায়। এতে কামাল আহত হয়। ওই সময় উপস্থিত শিক্ষকরা ঘটনা নিয়ন্ত্রনে আনতে গিয়ে দুই শিক্ষক শাহনাজ আফররোজ ও মোঃ ইব্রাহীম হোসেন আহত হন। সহকারী শিক্ষক কামাল প্রথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে যান। ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে লোকজনের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ওই বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সূচীপাড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হুমায়ূণ কবির ভুঁইয়া বলেন, ঘটনার ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু তাহের হতে জানতে পেরে বিদ্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হই। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ জয়নাল আবেদিনকে নিয়ম বিধি অনুযায়ী ব্যাবস্থা নিতে বলেছি।
অপর দিকে স্থানীয় এলাকার লোকজন বলছে, সোহেল নৈশ প্রহরী কাম দপ্তরী হয়ে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকের মতোই চলা ফেরা, শিক্ষকদের সাথে সখ্যতা গড়ে চেয়ারে বসে খোস গল্প করার মতো অভিযোগ উঠেছে। তাঁর খুঁটির জোর কোথায় ? একজন প্রধান শিক্ষকের উপস্থিতিতে এমন অপ্রিতীকর ঘটনা ঘটায় অভিভাবকদের ভাবিয়ে তোলে।
অপর দিকে জানাযায়, সোহেল এবার ডিগ্রি পরীক্ষা দিচ্ছে। তবে সোহেল যথাযথ কর্তৃপক্ষ হতে পরীক্ষা দিতে অনুমতি নেয়ার কথা থাকলেও তা না নিয়ে পরীক্ষয় অংশ গ্রহন করেছে। তাঁর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানলেও তা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কিছুই জানেন না বলে জানা যায়।ু
অপর দিকে উপজেলা প্রাথমিত শিক্ষা কর্মকর্তা দু’দিনের ছুটিতে রয়েছেন। উপজেলা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা (এ.টি.ও) খাজা মাঈনুদ্দিনের সাথে এ বিষয়ে কথা হলে তিনি জানান, ঘটনাটি শুনেছি। তবে কেউ অভিযোগ করেন নি। অভিযোগ করলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। আরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ছুরি করে কেউ কিছু করলে তাতো অজানাই থেকে যায়।
