চাঁদপুর নিউজ রিপোর্ট
॥ মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ব্রাকের আয়োজনে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে আমাদের করণীয় শীর্ষক জেলা পর্যায়ে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।চাঁদপুর সার্কিট হাউজে সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত এ কর্মশালায় ব্যাপক আলোচনা হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল। তিনি বক্তব্যে বলেন, আমাদের দেশের মানুষ বিদেশে অবস্থান করাতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন দেশের জন্য একটি আয়। আমরা অনেকেই বিভিন্ন পন্থায় বিদেশে যাই। কেউ কর্মসংস্থানে আবার কেউ সরকারি কর্মসূচি পালনে। আমাদের দেশে যারা বিদেশে লোক পাঠানোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তারা হলো এজেন্ট (বায়রা)। অনেক প্রতিষ্ঠান লোভের আশায় সত্য কথাটি বলে না। ফলে অনেকেই বিদেশে গিয়ে প্রতারিত হয়। বাংলাদেশ সরকার বিদেশে লোক পাঠানোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে। সরকারি সুযোগ সুবিধায় অনেকেই বিদেশে অবস্থান করে আজ দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা স্বচ্ছল করছে। আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। কিন্তু অবৈধ পন্থায় অনেক লোক বিদেশে অবস্থান করে প্রতারিত হচ্ছে। সঠিক পাসপোর্ট ও ভিসা এবং সঠিক কাজ ও মজুরি জেনে সুনে বিদেশে যেতে হয়। কিন্তু কিছু কিছু এজেন্ট এর প্রতারনায় অনেকেই বিদেশের মাটিতে কষ্ট করছে। আমরা যদি সঠিকভাবে এবং সচেতনতায় বিদেশে যাই তাহলে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত হবে। এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আশ্রাফুজ্জামান, হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুর্শিদুল ইসলাম, ব্রাকের প্রধান কার্যালয়ের প্রতিনিধি আবুল হাসানাত মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম, রাজনীতীবিদ শফিউদ্দিন আহমেদ, বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন, শ্রম ও জনশক্তির জেলা কর্মকর্তা হালিমা বেগম, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সর্দার আবুল বাসার, আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ মোস্তাফিজুর রহমান, চাঁদপুর প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, প্রতারিত অভিবাসি মোঃ কুদ্দুস মজুমদার, সফল অভিবাসী মোজাম্মেল হোসেন, ব্রাক প্রতিনিধি ইমামউদ্দিন প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ব্রাকের কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ। উল্লেখ্য ব্রাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম জাপান সোসাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড এর অর্থায়নে সেফ মাইগ্রেশন ফর বাংলাদেশী ওয়ার্কাস শীর্ষক তিন বছর মেয়াদী একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে ২০১৩ ইং সনের জুলাই মাসে। ২০১৬ পর্যন্ত কর্মএলাকা বাংলাদেশের অভিবাসন প্রবন ২১টি জেলার ৮০টি উপজেলায় এ প্রকল্পের আওতায় কার্যক্রম চলছে। প্রকল্পের আওতায় মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক সচেতনতা মূলক কার্যক্রম ও প্রশিক্ষনের মাধ্যমে অভিবাসন আগ্রহী, অভিবাসী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং ধারনা প্রদান করে নিরাপদ অভিবাসনের সম্ভাবনা বৃদ্ধির লক্ষে কাজ করা হচ্ছে। প্রকল্পটি সফল ভাবে বাস্তবায়িত হলে ৮ লক্ষ ৬৪ হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উপকার পাবে বলে প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানান।
শিরোনাম:
বুধবার , ২২ জুলাই, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
