শাহরাস্তি রিপোর্টঃ চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ১৪ বছরের লালচাঁদ চিকিৎসা নিয়ে বাঁচতে চায়। অসহায় পরিবারে আর্থিক অসচ্ছলতার কারনে তার লেখাপড়া বন্ধ এবং তার সুচিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। জানা যায়, উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের শ্বেতি নারায়ণপুর গ্রামের খাদুয়া বাড়ির আবুল বাসারের পুত্র সে।
এবিষয়ে লালচাঁদ বলে, আমরা ৩ ভাই ৪ বোন। আমি সবার ছোট। আর্থিক অনটনের জন্য আমার লেখাপড়া বন্ধ হয়েছে। বৃদ্ধ বাবা সংসার চলাতে অক্ষম। বড় ভাই খোরশেদ আলমকে জায়গা বিক্রি করে বিদেশ পাঠিয়েছেন। তিনি তার উপার্জিত অর্থে নিজের আখের গুছিয়ে আলাদা বসবাস করছেন। মেঝ ভাই দেনায় জর্জরিত। আমি লিভার সমস্যা জনিত রোগে ভুগছি। চিকিৎসা চলছেনা। আমি সুস্থ্য হতে চাই। সংসারের হাল ধরতে চাই। আমাকে বাঁচান। আমি বাঁচতে চাই। লালচাঁদের বাবা আবুল বাসার বলেন, আমি ৭ সন্তানের জনক। আমি আজ অসহায়। দু’মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি বাকিরা ছোট। বড় ছেলেকে আমার জমি বিক্রি করে বিদেশ পাঠিয়েছি। সে আজ আমাদের ভুলে তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে আলাদা থাকছে। যার দুখের দিনে আমি পাশে ছিলাম। আজ আমার দুখের দিনে সে পাশে নেই। নিজের স্বার্থ নিয়ে স্বাবলম্বী হতে চায় আমার বড় ছেলে খোরশেদ। আজ আমার লালচাঁদ খুব অসুস্থ্য। টাকার অভাবে তাকে চিকিৎসা করাতে পারছিনা। আমি তাকে বাঁচিয়ে তুলতে চাই। হৃদয় বিদারক এই কথাগুলো বলতে গিয়ে কেঁদে উঠেন অসহায় পিতা-পুত্র। তার চিকিৎসা করা একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করেন এলাকার সুধী সমাজ।
