
মিজানুর রহমান রানা
সারাদেশের ন্যায় চাঁদপুরেও আজ উৎযাপিত হবে হিন্দু সম্প্রদায়ের মহাঅষ্টমী স্নান। এ মহাঅষ্টমীর স্নান করতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে সনাতন ধর্মালম্ভীর হাজার হাজার নরনারীরা চাঁদপুরের পুরান বাজার এলাকার মেঘনা নদীর তীরে ভীড় জমায়। পূর্ণাথীরা হে মহাভাগ ব্রক্ষ্মপুত্র; হে লোহিত্য আমার পাপ হরণ কর, এ মন্ত্র উচ্চারনের মধ্য দিয়ে জগতের যাবতীয় সংকীর্ণতা ও পঙ্কিলতার আবরনে ঘেরা জীবন থেকে পাপ মুক্তির বাসনায় মেঘনা নদীর প্রতি মুক্তির বাসনায় প্রতি বছরের ন্যায় মহাঅষ্টমী স্নান করতে এই পূর্ণস্থানে আসে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক জন। পূণার্থীরা স্নানমন্ত্র পাঠপুর্বক নিজ নিজ ইচ্ছা অনুযায়ী ফুল, বেলপাতা, ধান দুর্বা, হরীতকি, ডাব, আ¤পর ইত্যাদি নিয়ে পিতৃ ও মাতৃকুলে অর্পণ করে। চাঁদপুর জেলায় একমাত্র ঐতিহ্যবাহী পুরাণ বাজার হরিসভা মদন মোহন মন্দির সংলগ্ন মেঘনা নদীর অববাহিকায় প্রতি বছর অষ্টমী তিথিতে সনাতন ধর্মীয় এ স্নান অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সকাল থেকে চাঁদপুর শহর ছাড়াও জেলার বাকী ৭টি উপজেলাসহ পার্শবর্তী নোয়াখালী, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর এলাকার নরনারীরা সিএনজি স্কুটার ও বাস যোগে ভোর রাত থেকে চাঁদপুরে আসে। সনাতন ধর্মীয় অষ্টমী স্নান উপলে মদন মোহন মন্দির ও মহা অষ্টামীস্নান কমিটি সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
পুরাণ বাজারের অমূল্য চন্দ্র আর্চাযীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, সোমবার সকাল ৮টার পর থেকে অষ্টমীস্নানের কার্যক্রম শুরু হবে, তা চলে সারা দিন পর্যন্ত।১৪২০ সনে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক জন ২টি স্নান পালন করবে। এর কারণ হলো ৪ বছর পূর্বে ১৪১৭ সালে এভাবেই অষ্টমীস্নান তিথী পরিবর্তনের কারণে এবারও ১৪১৯ সনের ভাদ্র মাসে দু’বার আমাবর্শ্যা পড়ার কারণে এই মাসকে মলয় মাস হিসেবে সনাতন ধর্মাবলম্বিরা চিহ্নিত করে। এই মলয় মাসে সনাতন ধর্মের কোন শুভ কাজ করা হয় না। ভাদ্র মাসে মলয় মাস হওয়ার কারণে তিথী এগিয়ে চৈত্রের স্নান পিছিয়ে ১৪১৯ সনের চৈত্রের স্নান চলে আসে ১৪২০ সনের ৮ই বৈশাখে । যার ফলে এ বছরেই আজ ২৩ শে চৈত্র ৭ই এপ্রিল অপর স্নানটি অনুষ্ঠিত হবে।
শিরোনাম:
রবিবার , ৮ নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ২৪ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
