পবিত্র মাহে রমজানের সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। এরই মধ্যে চাঁদপুরে অপরাধিদের দৌড় ঝাপ শুরু হয়েছে। বেড়েছে ছিনতাইকারী, ঠেকবাজ। আর মলম পার্টিদের দৌরাত্ম। প্রতি বছর ঈদ আগমনিতে এ সমস্ত অপরাধকারীদলদের আনাগোনা বেড়ে যায়। ফলে জেলাবাসী সহ তার আশপাশের জেলাবাসী আতঙ্কে থাকে। শুরু হয় মহিলাদের ভেনিটিব্যাগ ছিনতাই। আবার কেউ কেউ নিরব রাজপথে দাড়িয়ে থেকে নেশা খাইয়ে সর্বস্ব কেড়ে নেয়। এছাড়া রয়েছে ঠেকবাজ। আর এ সমস্ত ঠেকবাজরা লঞ্চঘাট, বাসটার্মিনালে প্রবণতা দেখা দেয়। এদের খপ্পরে পড়ে হাজার হাজার মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসতে হয়। বিশেষ করে ঈদ আগমনিতে এ সমস্ত ঠেকবাজ ছিনতাইকারী আর মলম পার্টিদের আনাগোনা করে। যার জন্য এখনই এদের বিরুদ্ধে চাঁদপুরের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে বলে মনে করেন সচেতন মহল। চাঁদপুর শহরের প্রবেশ পথের মুল মুল স্পটগুলোতে পুলিশ
চেক পোস্ট বসালে অনেকটা অপরাধমুক্ত হবে। অপরাধকারীরা শহরের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবে না। আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর নজরদারীর মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষ নির্বিঘেœ চলাফেরা করতে পারবে। পাশাপাশি ঈদ সামগ্রী মার্কেটিংও করতে পারবে। উল্লেখ যোগ্য স্পটগুলোর মধ্যে ঘুরে দেখা যায়, চাঁদপুর শহরের প্রবেশ পথ বাবুরহাট চৌরাস্তা, বাসস্ট্যান্ড, কালিবাড়ি চত্বর, নৌ-টার্মিনাল, পালেবাজার সংলগ্ন ব্রীজের গাড়া ও পুরানবাজারের দু’টি স্পট। যার মধ্যে লোহারপুল চত্বর ও পাল পাড়া মোড়। প্রতি বছর ঈদ আসলে পুরানবাজার লাঘুয়া, পাল পাড়া মোড় দিবারাত্রি ঠেকবাজদের ঘটনা ঘটে। নতুনবাজার-পুরানবাজার ব্রীজের উপর ছিনতাইকারীর নিরাপদ স্থান। এছাড়া রয়েছে নৌ-বাসটার্মিনালে মলম পার্টির খপ্পর। কালিবাড়ি চত্বর থেকে শুরু করে শহরের মুল অংশে নেশখোরদের উৎপাত। আর উক্ত নেশাখোররাই মহিলাদের বেনটি ব্যাগ ও শরীরে থাকা স্বর্নালংকার ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। এই সমস্ত ঘটনাগুলি ঈদের ১৫ দিন আগ থেকেই ঘটে বলে অনেকেই জানান। উল্লেখযোগ্য ঘটনার হাত থেকে জেলাবাসীকে রক্ষা করতে প্রকাশকৃত স্থানগুলোতে পুলিশ চেকপোস্ট বসালে অপরাধমুক্ত হবে। আর তাই এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন সচেতনমহল সহ সাধারণ জনগণ।
শিরোনাম:
মঙ্গলবার , ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ২৮ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।

