স্টাফ রিপোটার ঃ
শুধুমাত্র জনতা ব্যাংক চাঁদপুর শাখার অসহযোগিতার কারণে চাঁদপুর সদর উপজেলার বেসরকারী হাজার হাজার শিক্ষক-কর্মচারী পবিত্র ঈদুল ফিতরের বোনাস তুলতে পারে নি । এ নিয়ে শিক্ষক সমাজ চরম ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছে । সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ম্যানেজার ও স্টাফদের অসযোগিতা ও অবহেলায় কারণে শিক্ষক-কর্মচারীরা ব্যাংকে এসে খালি হাতে ফিরে যেতে হয়েছে । এদিন অনেক প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীরা ব্যংাকের সামনে কান্না ও আহাজারি করতে দেখা গেছে ।
জানা গেছে, চলতি মাসে শিক্ষামন্ত্রনালয় থেকে শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে এমপিও জুন মাসের বেতন না দিয়ে শুধুমাত্র বোনাস ছাড় করেছে । তাও ২৮ জুন বোনাসের চিঠি সংশ্লিষ্ট জনতা ব্যাংক শাখাগুলোতে এসে পৌছে । কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ম্যানেজার বাবু নিধির চন্দ্র রায় ৩০ জুনের আগে প্রথমে স্বীকারই যায়নি বোনাসের চিঠি ব্যাংকে এসেছে । দুদিন বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে পরবর্তীতে ৩০ জুন ব্যাংক ক্লোজিং এর কারণ দেখিয়ে চাঁদপুর সদরের হাজার হাজার বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের বোনাস থেকে বঞ্চিত করা হলো । বেতন-বোনাসের উপর নির্ভরশীল এসব শিক্ষক-কর্মচারীদের পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদ উৎসব থেকে বঞ্চিত হলো তারা । আরো জানা গেছে ,আগামী ১০ জুলাই আগে ব্যাংক খোলার সম্ভাবনা নেই । তাই তাদের বেতন-ভাতা ও বোনাস ঝুলে গেল । এ সময়ে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বেকায়দায় পড়েছে তারা । এ ব্যাপারে জনতা ব্যাংক চাঁদপুর শাখার ম্যানেজার বাবু নিধির চন্দ্র রায় বলেন, দুদিন আগে বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের বোনাসের চিঠি ব্যাংকে এসে পৌঁেছছে । এ সময় ব্যাংকে প্রচুর কাজ । তার উপর ব্যাংক ৩০ জুন ক্লোজিং । তাই কাজ করতে হিসসিম খাচ্ছি । তাই মাপ চাই । শিক্ষক-কর্মচারীদের এ মুহুর্তে বোনাস দিতে পারছি না । শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতিষ্ঠানের রিজার্ভ ফান্ড থেকে চালিয়ে নেন ।
