শাহারিয়ার খান কৌশিক ॥
চাঁদপুর জেলাধীন কচুয়া উপজেলার সাচার ডিগ্রী কলেজের ছাত্রীকে আপন বড় বোনের জামাই নিজ বাড়িতে নিয়ে হাত-পা বেধে ধ্বর্ষণ করার খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সাচার ফাঁড়ির ইনচার্জ মোস্তফা চৌধুরী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে লম্পট দুলা ভাই নেহাল ওরফে রানা মুন্সি (৩২) কে আটক করেছে। গুরুত্বর আহত অবস্থায় ধর্ষিতা কলেঝ ছাত্রীকে কচুয়া স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স থেকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে এনে ভর্তি করায়। এই ঘটনায় কচুয়ায় তোলপাড়া সৃষ্টি হলে চাঁদপুর পুলিশ সুপার শামছুন্নাহারের নির্দেশে পুলিশ লম্পট নেহাল ওরফে রানা মুন্সিকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে।
জানা যায়, কচুয়া উপজেলার ২নং পশ্চিম পাথর ইউনিয়নের পথেবাবুর গ্রামের সরকার বাড়ির মেয়ে সাচার ডিগ্রী কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের মেধাবী ছাত্রী বুধবার সকাল ১০টায় কলেজে যাওয়ার পথে বুরবুরিয়া গ্রামের তার বড় বোন মুন্নির শশুরবাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তার জামাই লম্পট নেহাল ওরফে রানা মুন্সি তাকে খবর দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যায়। এসময় নেহালের স্ত্রী মুন্নিকে ডাক্তারের কাছে তার ছোট বোন নিয়ে যাবে বলে জানায়। এর কিছুক্ষন পর লম্পন নেহাল তার স্ত্রী মুন্নিকে মামার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য পাঠায়। সেই সুযোগে ছোট সালী কলেজ ছাত্রীকে ঘরে ভিতরে হাত পা বেধে জোর পূর্বক শ্লীলতাহানি করে। দুপুর ২টা পর্যন্ত ঘরের ভিতরে আটকে রেখে নির্মনভাবে নির্যাতন চালায়। পরে সেই ঘর থেকে বেরিয়ে এসে তার ছোট বোন কে খবর দিয়ে এনে তার সাথে কচুয়া স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয়। তার পরিবার খবর পেয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে রেফার করে। গত বুধবর রাত ১১ টায় চাঁদপুর হাসপাতালে এনে কলেজ ছাত্রীকে ভর্তি করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার কচুয়া থানায় লম্পট নেহাল মুন্সির বিরুদ্ধে মামলা দয়ের করার পর সাচার ফাড়ির ইনচার্জ মোস্তফা চৌধুরী তাকে আটক করে। কলেজ ছাত্রীকে ধ্বর্ষণের ঘটনায় কচুয়া ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইতে থকে।

