
কচুয়া: চাঁদপুরের কচুয়ায় তরুনী জান্নাত ধর্ষণের শিকার হয়েছে গত ৩ ফেব্রুয়ারি। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের মাস পেরিয়ে গেলেও মামলার আসামীরা আজও গ্রেফতার হয়নি। জান্নাতের পিতা তুলপাই গ্রামের অলি উল্লাহ ১০ বছর পূবে মারা যায় ও মা হারেছা বেগম মারা যান ৪ বছর পূর্বে।
এতিম হয়ে জান্নাত (১৬) কচুয়া পৌরসভাধীন কুটিয়া গ্রামের মামার বাড়িতে বসবাস করে আসে।
গত ২ ফেব্রুয়ারি সে বেড়াতে যায় কচুয়া উপজেলার রসুলপুর গ্রামের এক নিকট আত্মীয়ের বাড়িতে। ৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় হাসান নামের আত্মীয়ের সাথে অটোরিক্সায় যোগে মামার বাড়ি কুটিয়ায় রওয়ানা হয়ে আসে।
তারা সন্ধ্যা ৭ টার দিকে কুটিয়া এলাকায় আসলে পাশ^বর্তী করইশ গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে শাহজালালসহ আরো দুইজন যুবক হাসানকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জান্নাতকে জোরপূর্বক অটোরিক্সা থেকে টেনে নিয়ে মুখ চেপে ধরে মিন্টু মিয়া বাড়ির পূর্বপাশে খোলা মাঠে নিয়া পালাক্রমে ধর্ষণ করে ঘটনাস্থলে রেখে চলে যায়। এই ঘটনায় ধর্ষিতার মামা দুলাল মিয়াজী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কচুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১৩। এই মামলার কোন আসামী আজও পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি।
এদিকে ধর্ষিতা দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করার সত্ত্বেও আজও সুস্থ্য হয়ে উঠতে পারেনি। ধর্ষকদের দেখানো ভয়ভীতির কারণে আজও ঘুমের ঘরে আৎকে উঠে জান্নাত। এতিম জান্নান মাঝে মধ্যে জ্ঞান হারিয়ে মানুষিক ভারসাম্যহীন হয়ে পরে। তার সামনে রঙিন পৃথিবীর সবকিছুই যেন অন্ধকার হয়ে আসছে। ধর্ষণকারীরা বিচারের আওতায় আসবে কি? এই প্রশ্ন তার চোখে মুখে। একই প্রশ্ন এলাকাবাসীরও।
চাঁদপুরনিউজ/এমএমএ/
