
কচুয়া প্রতিনিধি ॥
বিশৃঙ্খলা ও অনিয়মের মধ্য দিয়ে প্রথম দিনে রবিবার প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী ইংরেজী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কচুয়া উপজেলার ১০টি প্রাথমিক সমাপনী ও ৫টি এবতেদায়ী কেন্দ্রে এবছর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
কেন্দ্রগুলো হচ্ছে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ঃ সাচার উচ্চ বিদ্যালয়, মাঝিগাছা এমএম উচ্চ বিদ্যালয়, পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয়, নন্দনপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, আশেক আলী খান স্কুল এন্ড কলেজ, মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়, আইগীরি উচ্চ বিদ্যালয়, রহিমানগর বিএবি উচ্চ বিদ্যালয় ও জগতপুর উচ্চ বিদ্যালয়। ইবতেদায়ী কেন্দ্রগুলো হচ্ছে ঃ বিতারা আলীম মাদ্রাসা, তেতৈয়া দাখিল মাদ্রাসা, নিশ্চিন্তপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসা, মনোহরপুর ফাযিল মাদ্রাসা ও আশ্রাফপুর গণিয়া ফাযিল মাদ্রাসা। প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার্থার সংখ্যা- ৮ হাজার ৩’শ ৪৩ জন ও ইবতেদায়ী পরীক্ষার্থার সংখ্যা- ১ হাজার ৩’শ ৯৩ জন।
সরেজমিনে কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ কেন্দ্রেই হল পরিদর্শকগণ পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নোত্তর মুখে বলে দিচ্ছেন আর পরীক্ষার্থীরা খাতায় উত্তর লিখে নিচ্ছে। এমনকি কোন কোন কেন্দ্রে বহিরাগত লোকজন ভিতরে অনধিকার ভাবে প্রবেশ করে সংক্ষিপ্ত উত্তর বলে দিচ্ছে ও বইয়ের পাতা ছিড়ে শিক্ষার্থাদের হাতে তুলে দেয়। বিশেষ করে সাচার কেন্দ্রে সংলগ্ন হাই স্কুল মার্কেটের ফটোকপি দোকানগুলোতে উত্তর পত্র ফটোকপি করার জন্য অভিভাবকদের উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। ফটোকপি করা, উত্তরপত্র গুলো ওই বিদ্যালয়ের পূর্ব দিকের জানালা দিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয় অনেক অভিভাবকরা। মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়, জগতপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও মাঝিগাছা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বহিরাগত লোকজনরা যথেচ্ছা ভাবে হলে প্রবেশ করে নকল সরবরাহ করে। এবং বিতারা কেন্দ্রেও অনুরোপ দৃশ্য দেখা গেছে। এতে কোমলমতী শিক্ষার্থীদেরকে নকল কাজে উৎসাহিত করে অংকুরেই তাদের বিনষ্ট করা হচ্ছে বলে- সচেতন অভিভাবকরা ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।
শিরোনাম:
শুক্রবার , ১৭ জুলাই, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ২ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
