কচুয়া প্রতিনিধিঃ
চাঁদপুর জেলার বহুল আলোচিত কচুয়া উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের তালতলী গ্রামের মাদক সম্রাজ্ঞী হাসিনা দম্পতির খুটির জোর কোথায়? এলাকাবাসীর প্রশ্ন। হাসিনা ও তার স্বামী মাহাবুব দীর্ঘবছর মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন অসামাজিক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের এসব অপকর্মে এলাকাবাসী ভয়ে মুখ না খোলায় দিনের পর দিন বেপোরায় গতিতে তাদের অপরাধ প্রবনতা বেড়েই চলেছে।
মাহাবুবের অপকর্মঃ- এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানাযায়, ১৯৯৮ সালে পাশ্ববর্তী বাড়ির শহীদুল ইসলামের আঁখ চুরি, ১৯৯৯ সালে পাশ্ববর্তী কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার আড্ডা গ্রামের টচ লাইট, স্বর্নের চেইন, টেপ রেকর্ডার চুরি, ৯৯ সালের শেষের দিকে তারই পাশ্ববর্তী প্রধানিয়া বাড়ীর মাষ্টার আব্দুল মান্নানের ছাগল চুরি, ২০০১ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের আমলে অবৈধ অস্ত্র দেখিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি, ২০০২ সালে ঢাকার সাভারে একটি গৃহে ডাকাতি, ২০০৩ সালে রহিমানগর-নবাবপুর সড়কের নাউলা নামক স্থানে এক ব্যবসায়ীকে গভীর রাতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা পয়সা লুটিয়ে নেয়, ২০০৬ সালে পার্শ্ববর্তী বাড়ির ইসমাইলের মোবাইল চুরি, ২০০৮ সালে গোহট উত্তর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বর্তমান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আমিন উদ্দীনের গৃহ থেকে মোবাইল চুরি, একই বছরের শেষের দিকে তাদের পাশ্ববর্তী প্রধানিয়া বাড়ীর মৃত আব্দুল কাদেরের পুত্র আনিছুর রহমানের মোবাইল চুরি, ২০০৯ সালে উপজেলার ৮১নং তালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফ্যান চুরি সহ আরও এমনি বহু অপরাধের সংঘঠিত ঘটায়। যাহা লিখলেই পত্রিকার কলাম আরও বড় হয়ে যাবে।
এদিকে তার স্ত্রী মাদক সম্রাজ্ঞী হাসিনা বেগমের অপকর্মের মধ্যে আইনগিরী গ্রামের এক গাছ ব্যব্সায়ীর সাথে নিজ গৃহে দৈহিক মেলামেশা অবস্থায় তার স্বামী মাহাবুব হাতেনাতে তাদেরকে আটক করে। পরবর্তীতে স্থানীয় গ্রামবাসী সমঝোতায় মাহাবুবের সাথে তাকে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করায়। হাসিনা গত কয়েক বছর আগে চাকুরীর নামে মালোশিয়া পাড়ি জমায়। সেখানে নানা অপকর্মের কারনে মালোশিয়ার সরকার তাকে কয়েক মাস হাজতে রেখে দেশে পাঠিয়ে দেয়। সেখান থেকে এসে তার পুরনো মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন অপকর্ম বেপোরয়া গতিতে আবারও শুরু করে। হাসিনা ও তার একমাত্র কন্যা সন্তান মুন্নী আক্তার মোবাইল ফোনে সু-কৌশলে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উঠতি বয়সের যুবকদের এনে তার বাড়িতে দেহ ব্যবসা সহ মাদক ক্লাব জমিয়ে রাখছে। হাসিনার মাদকের উৎস পাশ্ববর্তী কুমিল্লা জেলার বহুল আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী চান্দিনা থানার নবাবপুর বাজার সংলগ্ন লেবেশ গ্রামের তারই আপন ভাই মোঃ সম্রাট। সম্রাট দীর্ঘদিন যাবত তার আরেক ভাইয়ের মাধ্যমে চট্রগ্রাম হয়ে মায়ানমার থেকে মাদকের চোরাচালান করে কুমিল্লা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাচার করে। হাসিনা ও মাহাবুব ওই সব অপরাধে কয়েকবার গ্রেফতার হলেও আইনের ফাক-ফোকরে ছাড় পেয়ে যায় এবং তাদের বিরুদ্ধে সচেতন এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলে বিভিন্ন মামলা দিয়ে প্রতিবাদকারীদেরকে হয়রানি করে আসছে। সম্প্রতি থেকে তাদের এসব অপকর্ম জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্র-পত্রিকায় ফলআপ ভাবে সংবাদ প্রকাশ পেলেও উর্ধ্বতন আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষ জোড়ালো কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় হাসিনা ও মাহাবুবের খুটির জোর কোথায়-এলাকাবাসী জানতে চায়।
শিরোনাম:
শুক্রবার , ১৭ জুলাই, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ২ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।

