
খোরশেদ আলম শিকদার ঃ
চাঁদপুরের কচুয়ায় আইনপুর গ্রামে কুলিপ্সা থেকে বাচঁতে গিয়ে শ্বশুরের যুবরাজের পুরুষাঙ্গসহ দুই রানে ব্যালেট দিয়ে পোছ দিয়ে নিজেকে আত্বরক্ষা করেছে পুত্র বধূ সাথী রানী সরকার। এ ঘটনায় রোববার সাথীরানী বাদী হয়ে শ^শুর যুবরাজ,শ্বাশুরী মিঠুরানী,স্বামী সজল ও ননস রুপালিকে আসামী করে কচুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। এলাকায় হিন্দু মুসলমান ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাষন্ড যুবরাজের সুষ্ঠু বিচার ও শাস্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল বের করেছে।
পুত্রবধূ সাথী রানী সরকার জানায়,৭ বছর পূর্বে সাথী রানীর বিয়ে হয় উপজেলার আইনপুর গ্রামের পাষন্ড যুবরাজের ছেলে সজল সরকারের সাথে। স্বামী সজল ঢাকায় চাকুরী করে, গ্রামের বাড়িতে শ্বশুর-শ্বাশুরী আর সাথী থাকে।শ্বাশুরী এদিক সেদিক চলে গেলে পাষন্ড শ্বশুর পুত্রবধূ সাথীকে একা পেয়ে পুত্রবধূ সাথীকে যৌন বিষয়ক নানান খারাপ গল্প, খারাপ কথা প্রায়ই বলে থাকে এবং বলে বহু জায়গায় পুত্র বধূর সাথে শ্বশুর যৌনকাজ করে থাকে। তখন সাথী শ্বশুরকে বলে আব্বা আপনি কিভাবে এসব খারাপ কথা বলেন, আমি তো তা শুনতে ও জানতে চাইনা। শ্বাশুরী ঘরে না থাকলে কেন এসব খারাপ খারাপ কথা আপনি বলেন। আপনার কি লাজ স্বরম নাই ? আপনার ২টা মেয়ে আছে আমিও তো আপনার মেয়ের মতো। স্বামী ও শ্বাশুরীকে এবং বাড়ির লোকজনকে বিষয়টি জানাতাম। কেউই আমার কথার পাত্তা দেয়না। শ্বশুর প্রতিনিয়ত আমাকে তার সাথে খারাপ কাজ করার জন্য বলত। আমি তার কথা না শুনলে সে আমাকে খালি খালি গালিগালাজ করতো আমাকে মারধর করত।
প্রায় সময় সে আমাকে জরিয়ে ধরে চুমু দিয়ে বলতো মা সাথীনা বালা কিছু হবেনা, এরকম কত হইতাছে। আমার সাথে তুই কাম করলে তোর কিছুর অভাব হইবে না তুই যা চাস তা আমি আইন্না দিমু। তুই আমার সুখ দেয় আমি মরলেও শান্তি পাব।
২৭ মে শুক্রবার সাথী ঘরে শুয়ে আছে এমন অবস্থায় সাথীকে জরিয়ে ধরে চুমু দিতে শুরু করে। এ বিষয়ে শ্বাশুরী মিঠুরানীকে জানালে শ্বাশুরী বলে তোর শ্বশুর যা বলে তা শোন শ্বশুরের মন যোগাইয়া চল।
আজ ২৮ মে শনিবার বিকেল আনুমানিক ৫ ঘটিকার সময় সাথী ঘরে একা শুয়ে থাকে এমন সময় পাষন্ড শ্বশুর যুবরাজ উলঙ্গ হয়ে গিয়ে সাথীকে চেপে ধরে তার পরনের কাপড় খোলার চেষ্টা করে ও বেলাউজ ছিড়ে বুকে ধরে কামড় দেয়। এসময় সাথী উপায়ান্তর না পেয়ে পাষন্ড শ্বশুরের পুরুষাঙ্গে ব্লেড দিয়ে পুরুষাঙ্গে পোছ দিলে পোছ পুরুষাঙ্গের নীচে দুই রানে লাগে। যুবরাজ এখন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, যুবরাজের মেয়ে রুপালী একটি চরিত্রহীন মেয়ে ১১ বছর পূর্বে তার বিয়ে হয়। রুপালীর চরিত্রহীনতার কারনে তার স্বামী তাকে ডিভোর্স দেয়। ডিভোর্সের পর ১০ বছর ধরে সে দেহ ব্যাবসায় লিপ্ত থেকে এলাকাকে কুলসিত করে ফেলে। এক সময় কচুয়া থানায় কর্মরত ছিল এসআই হামিদ। সে থানায় থাকা অবস্থায় প্রায় সময় আইনপুর গ্রামে এসে রুপালির ঘরে এসে রুপালির সাথে রাত্রি যাপন করত। সে সুবাধে রুপালি গ্রামের মানুষকে মিথ্যা মামলার হুমকি দিয়ে আসছে। তার মিথ্যা মামলার ভয়ে গ্রামবাসী রুপালির অপকর্মের বিষয়ে মুখ খুলতে সাহস পায়না। গ্রামবাসী রুপালি ও তার বাবা যুবরাজ ও রুপালির মা”র শাস্তির দাবী জানায়। এদিকে যুবরাজের চাচাতো ভাই সুধনচন্দ্র মজুমদারের ছেলে সুদিিিষ্ট চন্দ্র মজুমদার বলেন যুবরাজের বিষয়ে তার পুত্রবধূ সাথী এ বিষয়ে জানানোর পর ঘটনার সত্যতা পেয়ে আমরা বাড়িতে তার বিচার করেছি। এ বিষয়ে যুবরাজের নিকট জানতে চাইলে সে কিছুই বলেনি। তবে যুবরাজের মেয়ে রুপালি ও সজল ঘটনাটি অস্বীকার করে বলেন, আমাদের সাথে জমি সংক্রান্ত মামলা যাদের সাথে তারা এ ষড়যন্ত্র করেছে।
