সাখাওয়াত হোসেন মিথুনঃ
হাজীগঞ্জ ঈদের বাজারে ফিঙ্ড প্রাইজ-একদাম জুলিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করছে ব্যবসায়ীরা। মূল্য দ্বিগুন, তিনগুন বাড়িয়ে ফিঙ্ড প্রাইজ ঝুলিয়ে করছে রমরমা ব্যবসা। বিশেষ করে নারীদের রিতিমত প্রতারণা করে চলেছে। হাজীগঞ্জ বাজারে বেশির ভাগ বিপনী বিতানে এ চিত্র দেখা যায়। হাজীগঞ্জে বড় বড় মার্কেট গুলোতে বিলাস বহুল ও স্বাচ্ছন্দ্য পূর্ণ পরিবেশে কেনা কাটা করতে আসছে কিশোর-কিশোরী, তরুন-তরুনী, যুবক-যুবতী ও গৃহবধূরা সহ সকল শ্রেণীর মানুষ। কর্র্তিৃপক্ষের নির্দেশে ক্রেতারা একদামের দোকানে তারা গলাকাটার শিকার হচ্ছে। যারা জানেন একদাম সত্ত্বেও ইচ্ছা মত দরদাম করার সুযোগ আছে তারা বেঁচে যান। অন্যরা অবাধেই প্রতারিত হচ্ছে। এখানে এমন সব একদামে দোকান রয়েছে যেখানে ৪ হাজার টাকার শাড়ী ২ হাজার টাকা, ৩ হাজার টাকার থ্রীপিস ১৫শত টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এ ব্যাপারে বিক্রয়প্রতিনিধিরা অভিযোগ করে বলেন কর্তৃপক্ষ একদাম বাধ্যতা মূলক করেছে। একদাম বাধ্যতা মূলক করলেও ক্রেতারা সত্যি সত্যি ফিঙ্ড প্রাইজ বা একদামে ন্যায্যমূল্যে কাঙ্ক্ষিত জিনিস কিনতে পারছেন কি? তা মনিটরিং করা হচ্ছে না। এসব ব্যাপারে জানতে চাইলে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে নারাজ কর্র্র্র্র্তিৃপক্ষ। দেখা যায় একদর হলেও একদরের দোকান গুলোতে একই পন্য একেক দোকানে বিক্রি হচ্ছে এক এক দামে। সেন্ডেলের দোকান গুলোতেও চলছে নৈরাজ্য। দেশেই তৈরি প্রায় একই ধরণের সেন্ডেল কোথাও ৮শত কোথাও ১ হাজার আবার কোথাও ১ হাজার দুইশত টাকা এভাবেই চলছে আমাদের একদর নামে প্রতারণা। হাজীগঞ্জে এমন অনেক শাড়ী ও সেলোয়ার কামিজের দোকান আছে যারা একদামের নামে ভিন্ন ভিন্ন দাম নিচ্ছে ক্রেতাদের কাছ থেকে। ক্রেতাদের স্বার্থে একদাম ব্যবস্থা চালু করলেও বিক্রেতারা পণ্যের গায়ে অন্যায্য দাম লিখে রাখছেন এ অভিযোগ ক্রেতাদের। মুখে বললেও একদাম তারা নিশ্চিত করতে পারছেন না। প্রতারণার শিকার হয়েই যাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতাগণ।
শিরোনাম:
বৃহস্পতিবার , ১১ জুন, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ২৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
