মতলব উত্তর:
শনিবার মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ও ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সকালে ৯২নং গজরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে গজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছানাউল্লাহ মোল্লার সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হানিফ দর্জির পরিচালনায় সম্মেলন প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-২ নির্বাচনী আসনের সাংসদ এয়ার ভাইস মার্শাল (অবঃ) এম. রফিকুল ইসলাম এমপি।
সম্মেলন উদ্বোধন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডঃ রুহুল আমিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল, জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ মঞ্জু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান ও ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী গাজী। বক্তব্য রাখেন- জেলা কৃষক লীগের সভাপতি জয়নাল আবেদীন প্রধান, ছেংগারচর পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলম জজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ শহিদ উল্লাহ প্রধান, গজরা ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক লায়ন মফিজুর রহমান খান বাবু, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস ছাত্তার, ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন বিশ্বাস প্রমুখ।
দ্বিতীয় অধিবেশনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডঃ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুসের পরিচালনায় পূর্বের গজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। সম্মেলনে সভাপতি পদে ছানাউল্লাহ মোল্লা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুনরায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ওয়াহেদুজ্জামান সরকার ওয়াদুদ কাউন্সিলরদের ভোটে নির্বাচিত হন।
বিকেলে পূর্ব ফতেপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ গোলাম নবী বাদলের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ কবির হোসেন মাস্টার ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী সালাউদ্দিনের সঞ্চালনায় ফতেপুর আবুল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-২ নির্বাচনী আসনের সাংসদ এয়ার ভাইস মার্শাল (অবঃ) এম. রফিকুল ইসলাম এমপি।
সম্মেলন উদ্বোধন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্য্যাডভোকেট রুহুল আমিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল, জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ মঞ্জু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান, ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী গাজী। বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের মহিলা সম্পাদিকা জাকিয়া সুলতানা শেফালী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি জয়নাল আবেদীন প্রধান, জাতীয় শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ প্রমুখ। সভায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভার শুরুতে জাতীয় সংগীতের সাথে সাথে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয় এবং পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী সালাউদ্দিন শোক প্রসত্দাব আনেন এবং এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করে নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়।
দ্বিতীয় অধিবেশনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডঃ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুসের পরিচালনায় ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। সম্মেলনে সভাপতি পদে ইউপি চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক পদে কাজী সালাউদ্দিন কাউন্সিলরদের ভোটে নির্বাচিত হন।
সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ১৯৭১-এর মানবতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী, ধর্ষক, গণহত্যাকারী নরপিচাশদের বিচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই সম্পন্ন করা হবে। অপরাধীরা যতই শক্তিশালী হোক না কেনো তাদেরকে আইনের আওতায় এনে অবশ্যই বিচার করা হবে। কোনো শক্তি এই বিচার কার্যকে বাঁধা দিয়ে রাখতে পারবে না। যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ বিচারের দাবিতে সারাদেশ আজ জেগে উঠেছে। বর্তমান সরকার যখন একের পর এক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার মাধ্যমে তারা তাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করছে ঠিক তখন স্বাধীনতা বিরোধীরা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ বিচারের দাবিতে নতুন প্রজন্মের সাথে দেশের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ আজ এক হয়েছে। আর এই স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতিহত ও দলকে ক্ষমতায় আনতে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ ও সকল নেতা-কর্মী এক সাথে কাজ করলে আগামীতে আবার আওয়ামী লীগকে জনগণ ক্ষমতায় আনবে।
