শাহরিয়ার খাঁন কৌশিক ॥
চাঁদপুর ও হাইমচরে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জেলা ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের বলিষ্ঠ ভূমিকায় সদর উপজেলার ১২ ইউপির মধ্যে ১০টি ও হাইমচরের ৬ ইউপির মধ্যে ৪ আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকার চেয়ারম্যান প্রাথীরা নির্বাচিত হয়েছে। নির্বাচনের দিন ও নির্বাচনের পরবর্তী সহিংসতায় ছাত্রলীগের অনেক ত্যাগী নেতা-কর্মী আহত হয়ে বর্তমানে মৃত্যুর সাথ পাঞ্জা লড়ছে। ইউপি নির্বাচন ছাড়াও এ পূর্বে জাতীয় নির্বাচন, পৌরসভার নির্বাচন ও উপজেলার নির্বাচনে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় অনেক ছাত্রলীগ নেতা আহত হয়েছে।
জানা যায়, চাঁদপুর সদর ও হাইমচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দিন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান তৃপ্তির নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নির্বাচনকে ঘিরে ব্যাপক প্রচার প্রচারনায় অংশ নেয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রহমানের কন্যা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সকল নির্বাচনে আওয়ামীলীগের সমর্থীত প্রার্থীদের জয়যুক্ত করার জন্য ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা সক্রিয় ভাবে কাজ করেছে।
সদর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের ৩১মার্চ নির্বাচনের দিন শাহমাহমুদপুর, কল্যাণপুর, বিষ্ণুপুর, রাজরাজেশ্বর, চান্দ্রা, মৌশাদী, আশিকাটি ইউনিয়নে ভোটকেন্দ্র প্রতিপক্ষের দখল নিয়ে হামলার শিকার হন ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মী। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির সমর্থক নেতাকর্মীরা নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় লিপ্ত হয়। শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে মান্দারি এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের দেশীয় অস্ত্রে আঘাতে বেশ কিছু নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ছাত্রলীগের নেতা শাহদাত ও হাসানকে কুপিয়ে রক্তাত্ত জখম করার পর তারা বর্তমানে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
কল্যাণপুর ইউনিয়নের ছাত্রলীগ সভাপতি রাজীবসহ বেশ কিছু ছাত্রলীগ কর্মীকে আহত করেছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদিকে চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনের ৭নং ওয়ার্ড আক্কাছ আলী কেন্দ্রে, ফরিদগঞ্জ ও হাইমচর উপজেলা নির্বাচনে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান তিপ্তিসহ শতাধিক নেতাকর্মীকে বিরোধীদলের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে গুরুতর আহত করেছে। নির্বাচনে ছাত্রলীগের নেতাদের বলিষ্ঠ ভূমিকাই আওয়ামীলীগের সমর্থীত প্রার্থীদের অবশেষে জয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।
সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দীপু মনির নির্দেশে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান তৃপ্তির নেতৃতে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা এভাবেই সকল নির্বাচনেই ব্যাপক প্রচার প্রচারনা করেছে ও আওয়ামীলীগের প্রার্থীদের জন্য কাজ করেছে। এ ব্যাপারে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান তৃপ্তি জানায়, বঙ্গবন্ধুর কন্যা ও দেশ নেতৃ শেখ হাসিনা এবং ৩ আসনের এমপি ডা. দীপু মনির হাতকে শক্তিশালী করতে ছাত্রলীগ কাজ করেছে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা রাজপথে সকল আন্দোলন সংগ্রামে মোকাবেলা করেছে। সকল নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে গিয়ে শুধুমাত্র ছাত্রলীগের নেতাকর্মীর প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়েছে। একটি কুচক্রি মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার লক্ষ্যে জেলা ছাত্রলীগকে কুলষিত করে দলকে দ্বী-খন্ডিত করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের এখনই রুখতে হবে যাতে করে ছাত্রলীগের মাঝে কোন ধিদাধন্দ না থাকে। সকল নির্বাচন ও আন্দোলন সংগ্রামে পূর্বের যেভাবে কাজ করেছে ভবিষতেও সেইভাবে কাজ করবে। ছাত্রলীগের যে সকল নেতাকর্মীরা নির্যাতিত হয়েছে তাদের সহযোগিতায় হবে আমাদের লক্ষ্য।
