চাঁদপুরে আবাসিক হোটেল গুলোতে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক সেবন, ক্রয়-বিক্রয় বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রশাসনের নজরদাদি না থাকায় দিন দিন অপরাধ প্রভোনতা বেড়ে যাওয়ায় আইনশৃঙ্খলা অবনতি হওয়ার আশংঙ্খা দেখা দিয়েছে।
কলেজ-স্কুল পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীরা ও ভ্রাসমান পতিতারা এ সব হোটেলে গিয়ে অবাধে যৌন কাজে লিপ্ত হচ্ছে। এতে করে সামাজিক অবক্ষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ সব হোটেল গুলোর মধ্যে শহরের পুরবী মার্কেটে তৃতীয় তলায় হেটেল শেরাটন, কালিবাড়ি টাউনহল মার্কেটে তৃতীয় তলায় শরিয়তপুর হোটেল, রজনীগন্ধা মার্কেটে রজনীগন্ধা হোটেল, তাজমহল, শ্যামলী,নিউ শ্যমলী, বিটি রোড়ে আল-রাশিদা ,আল-রাজিব, বড় স্টেশন সুন্ধরবন, সোহাগ হোটেল, রশিদ আবাসিক হোটেলে প্রতিদিন এসব অসামাজিক কার্যকলাপ দেদাছে চলে আসছে।
চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ মাঝে মাঝে অভিযান করে পতিতা খদ্দর ও প্রেমিক যুগল আটক করে সমযোতায় ছেড়ে দেওয়ায় তারা পূনরায় এসে আবারো এসব অসামাজিক কাজ করছে। তাই অপরাধ প্রবনতা দিনদিন বেড়েই চলছে।
একটি সূত্র জানায়, শহরের পুরবী মার্কেটে তৃতীয় তলায় হোটেল শেরাটনে ম্যানেজার জসিম চাঁদপুরে বিভিন্ন এলাকা থেকে কিশোরী ও যুবতি মেয়েদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে হোটেলে এনে বেশ কয়েকটি রুমে ডুকিয়ে বাহির দিয়ে তালা মেরে রাখে। যাতে করে পুলিশ ভিতরে ডুকলেও তাদের খুজে না পায়। দিনভর খদ্দরদের হোটেলে এনে রুমের ভিতরে ডুকিয়ে দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ শেষে বের করে দেয়। তেমনি কালিবাড়ি টাউন হল মার্কেটে তৃতীয় তলায় শরিয়তপুর হোটেল, রজনিগন্ধা মার্কেটে রজনীগন্ধা হোটেলে,আকবরী হোটেলে একই কায়দায় মেয়েদের রেখে পতিতা ব্যবসা চালিয়ে হাজার হাজার টাকা অবৈধ ভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে। সম্প্রতি শরিয়তপুর হোটেল থেকে কলেজ পড়–য়া প্রেমিক যুগলকে থানা পুলিশ আটকের পর হোটেলের রেজিস্টারী খাতায় নাম ঠিকানা লিপিবদ্ধ না থাকায় পুলিশ সুপার জানতে পেরে এ হোটেলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করবে বলে জানায়। এছাড়া হেটেল শেরাটনে উঠার ৪টি সিড়ি থাকায় পুলিশ আসলেই হেটেলের ম্যানেজার জসিম পিছন দিয়ে মেয়েদের বের করে দেয়। এই হোটেলে বেশ কয়েকটি রুমে প্রতিদিন চলে মাদক সেবন ও ক্রয়-বিক্রয়। এসব হোটেলে প্রেমিক যুগলদের স্থায়ীয় যুবকরা দেখতে পেয়ে তাদের আটকে রেখে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেয়। যদি টাকা না দেয় তাহলেই পুলিশকে খবর দিয়ে তাদেরকে ধড়িয়ে দেয়। বেশ কয়েকবার চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ি ও পতিতা খদ্দরদের আটক করলেও সঠিক আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন না করার কারনে তারা আবারো অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে । তাই প্রশাসনের নজরদারী ও অভিযান প্রতিদিন হেটেলগুলোতে অব্যাহত থাকলে অপরাধ প্রবনতা কমবে বলে সচেতন মহল দাবি করে।

