
রফিকুল ইসলাম বাবু।
প্রচন্ড ঠান্ডায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ৪ দিনে প্রায় শতাধিক শিশু রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বেশ কয়েক শিশুর অবস্থা আশংকাজনক। শহর এবং জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে ডাক্তার ও নার্সরা। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ১২০ জন শিশুরোগী ভর্তি হয়েছে। আবহাওয়া দুর্যোগের কারণে বিভিন্ন বয়সী শিশুরা জ্বর, সর্দি, কাশি, বমি, বদহজমসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হওয়ার কারণ বলে জানা গেছে। তবে এদের মধ্যে এক থেকে দু’মাস বয়সী শিশু রোগীর সংখ্যা বেশি বলে হাসপাতালের কর্তব্যরত নার্সরা জানান। চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালের শিশু বিভাগে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ওই বিভাগের নার্সদের রুমের সামনে ভিড় জমিয়ে চিকিৎসা সেবার জন্য অপেক্ষা করছে অভিভাবকরা এবং হাসপাতালের শিশু বিভাগের সবক’টি বেড পূর্ণ হয়ে মেঝেতে ও রোগীদের জন্য বেড দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও অনেক শিশু রোগীকে অভিভাবকরা হাসপাতালে নিয়ে এসে ডাক্তার দেখিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিয়ে চলে যান। এ বিষয়ে চাঁদপুরের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ সুজীত কুমার দাস জানান, ২ মাসের কম বয়সি শিশুদের জন্য ঠান্ডার ঝুকিঁ থাকে। এ নিউমোনিয়াটা একটা ভাইরাস বা ব্যাকটেরীয়ার কারনে হতে পারে। এজন্য শিশুদেরকে যতটা সম্ভব গরম পরিবেশে রাখতে হবে। খালি পায়ে হাটা চলা করতে দেয়া যাবেনা। তাছাড়া গোসল করানোর সময় হাল্কা গরম পানিতে গোসল করাতে হবে। তাহলে অনেকাংশে রক্ষা পাওয়া যায় এবং শিশুর শরীরও ভালো থাকে। এ ব্যাপারে মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আসিবুল আহসান চৌধুরীর জানান, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে শিশুরা হঠাৎ নিউমেনিয়া, জ্বর, সর্দি, কাশ, বমি, পাতলা পায়খানাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। এখন শীতের মৌসুম হওয়ায় শিশুরা ঠান্ডায় বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এজন্য শিশুরা যেভাবে ঠান্ডা থেকে নিরাপদ থাকবে সেজন্য অভিভাবকদেরকেও সতর্ক থাকতে হবে।
