শাহরিয়ার খাঁন কৌশিক।। সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ সংশোধনসহ ৮ দফা দাবিতে সারাদেশে সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ৪৮ ঘন্টার ‘কর্মবিরতি’ পালনের দ্বিতীয় দিনে জনজীবন চরম দূর্ভোগ ও ভোগান্তির স্বিকার পরেছে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন রোববার ভোর ৬টা থেকে শুরু করে সোমবার সারাদেশে ৪৮ ঘন্টার এ কর্মবিরতি তথা ধর্মঘটের ডাক দেয়। দাবি আদায় না হলে আগামীকাল ৩০ অক্টোবর থেকে লাগাতার ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।
সোমবার ছিলো এ ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন। মোটরসাইকেল অটো রিক্সা ব্যতীত অন্য কোনো মোটরযান চাঁদপুর জেলার কোথাও চলতে দেয়া হয়নি। দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, ট্যাংকলড়ি, পিকআপ বা অন্যান্য যানবাহনই নয়, সিএনজি স্কুটার চলতে দেয়া যায়নি।
শহরে চলাচলের জন্যে রিক্সাই ছিলো একমাত্র ভরসা। এমনকি শহরের বাইরে যেতেও মানুষকে রিক্সায় চড়তে হয়েছে। অনেকে ভ্যানগাড়িতে চড়ে যাতায়াত করেছেন। সকাল থেকে সারাদিন এ চিত্র দেখা গেছে। তবে রিক্সা তুলনামূলক খুবই কম হওয়ায় রাস্তায় রাস্তায় মানুষকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।
এদিকে রিক্সা ও অটো রিক্সা একমাত্র ভরসা হওয়ায় এ সুযোগে রিক্সা চালকরা ভাড়া টেনেছে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভাড়ায়। ২০ টাকার ভাড়া ৫০ টাকা, ৫০ টাকার ভাড়া ১শ’ টাকা। কিছুই করার নেই। বাধ্য হয়েই মানুষকে বাড়তি ভাড়া গুণতে হচ্ছে। এভাবেই ধর্মঘটের প্রথমদিনেই জনজীবন বিপর্যয়ের মুখে পড়তে দেখা গেছে।
শহরের বিভিন্ন রাস্তায় সিএনজি স্কুটার ও অটোবাইক চালকরা রাস্তায় বিক্ষোভ এবং পিকেটিং করছে। দোকানঘর, রামদাসদীতে সড়কে গাছ ফেলে ব্যারিকেড দিয়ে রাখা হয়েছে।
