বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ একটি জাতীয় সমস্যা। এটি বন্ধে আইন প্রনয়নের পাশাপাশি সরকারি বে-সরকারি নানা প্রতিষ্ঠান ও দেশি-বিদেশি এনজিও সংস্থার উদ্যোগে চলছে ব্যপক প্রচার প্রচারনা। তবুও বন্ধ করা যাচ্ছে না এটি। এমন প্রেক্ষাপটে বাল্যবিবাহের মত জাতিয় এ সামাজিক ব্যধি রোধে সেচ্চায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ গ্রহন করেছেন এমন ব্যক্তির সন্ধান পাওয়াটা দুরহ ব্যাপার। এমন’ই একটি উদ্যোগ গ্রহন করে সমাজে দৃস্টান্ত স্থাপন করলেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৩নং সুবিতপুর পূর্ব ইউনিয়নের কাজী মাও. মো. ওয়ালীউল্লাহ। তিনি তার নিজ ইউনিয়নে বাল্যবিবাহ বন্ধে শপত নিয়ে প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর এ প্রচারণার অংশ হিসেবে বাল্যবিবাহ রোধ এবং এ বিষয়ে জনসচেতনাতা বৃদ্ধির লক্ষে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও ইউনিয়নের সকল মসজিদে লিফলেট বিতরণের মত নানামূখি উদ্যোগও গ্রহন করেছেন তিনি।
গত ৯ অক্টোবর রোববার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, ইতোপূর্বে সামাজিকভাবে চাপের মূখে পড়ে কাজীরা কোন কোন বাল্যবিবাহ সম্পাদন করেছিলেন। তবে সরকার আন্তরিক হয়ে বিভিন্ন আইন প্রনয়ন এবং নানামূখি উদ্যোগ গ্রহন করায় এখন আর কাজীদের কোন সামাজিক চাপে পড়তে হয়না। তিনি আরো বলেন, এ ইউনিয়নে গত ১৬ বছর আমি দায়িত্ব পালনকালে নানা ধরনের চাপ থাকা সত্বেও বাল্যবিবাহ রোধে আমি সব সময়’ই সোচ্চার ছিলাম। বর্তমানে সুবিতপুর ইউনিয়নে ৯০% বাল্যবিবাহ রোদ হয়েছে। এ কাজে ইউনিয়নের প্রতিটি মসজিদের ইমামদের সম্পৃক্ত করা গেলে এবং তারা ভুমিকা রাখলে বাকিটাও বন্ধ হয়ে যাবে। তাই আমি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিটি মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে ইউনিয়নবাসির মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে এ উদ্যোগ গ্রহন করেছি।
উল্লেখ্য যে, ১৯৯৭ সালে ফরিদগঞ্জ আলীয়া মাদরাসা থেকে কামিল পাশ করে ১৯৯৮ সাল থেকে প্রায় ১৬ বছর যাবত নিষ্ঠার সাথে তিনি এ পেশায় দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
শিরোনাম:
সোমবার , ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ৪ ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।

