চাঁদপুর প্রতিনিধি ॥
চলতি বছরের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের সময় চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে নীরবে চলছে মা ইলিশ সংরক্ষণের নামে ইলিশ নিধনের মহোৎসব। আর এ উৎসবের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ মদদ দিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান মন্টু বেপারী- এমন অভিযোগ ইউনিয়নবাসীর।
জানা যায়, এবারের এ মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান মৌসুমে এ ইউনিয়নের সফরমালী এলাকা থেকে শুরু করে সেই মতলবের কানুদি পর্যন্ত নদীর পাড়ে ইলিশ বিক্রির বাজার প্রতিনিয়তই জমজমাট আকারে চলে আসছে। সদর উপজেলার নদীর তীরবর্তী অন্যান্য ইউনিয়নগুলোতে প্রশাসনের ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জোর তৎপরতা থাকলেও এ ইউনিয়নে প্রশাসনের তেমন তৎপরতা নেই। অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মন্টু বেপারী এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তার নিজস্ব আড়ৎদারদের মাধ্যমে এই মাছ ধরা ও বিক্রির উৎসব চালিয়ে যাচ্ছে নির্বিঘেœ।
এ ছাড়াও আরো জানা যায়, স্থানীয় আড়ৎদার দেলু দর্জি, হান্নান কবিরাজ, সফিক পাটওয়ারী, মানিক প্রধানিয়া, ওয়াসিম জমাদার, বাচ্চু বেপারী, সাজাহান বকাউল এরা সকলেই চেয়ারম্যানের খয়ের খাঁ। আর চেয়ারম্যানকে ম্যানেজ করেই বিগত দশদিন যাবত এ সকল আড়তদাররা মা ইলিশ রক্ষার নামে জেলেদের মাধ্যমে নিধন করে ব্যবসাটি চালিয়ে আসছে।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মন্টু বেপারীর সাথে মুঠোফোনো কথা হলে তিনি জানান, আমি আমার পরিষদের সকলের সহযোগিতা নিয়ে যতটুকু সম্ভব অভিযানটি সফল করার ক্ষেত্রে আপ্রান চেষ্টা করেছি। কিন্তু প্রশাসনের কোনো সহযোগিতা পাইনি। তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আড়তদার আমার নিজের বাড়িরও না, নিজের দাদন খাটানো ব্যক্তিও না। এরা আমার ইউনিয়নেরই বাসিন্দা। কিন্তু আমি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কাউকে কোনো মদদ দেইনি। এমন কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না।

