স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকা গামী যাত্রী বাহী পূবালী-১ লঞ্চের কেবিনে অপহরকারীরা ২ যুবককে ডুকিয়ে মারধর করে টাকাসহ সর্বস্ব লুট করে নিয়েছে। চাঁদপুর নৌ-পুলিশ পূবালী-১ লঞ্চে অভিযান চালিয়ে অপহিৃতা ২ যুবককে ও ছিনতাই হওয়া ২২ হাজার টাকা উদ্ধার করে। এ সময় ৩ অপহরনকারীকে আটক করে নৌ পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার দিবাগত রাত ৩ টায়। এই ঘটনায় অপহিৃতা মোঃ সোহাগ(২৫) বাদি হয়ে চাঁদপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। মামলা নং ২৪ তারিখঃ ১৮/১০/১৫।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, পিরোজপুর জেলার তুষখালী থেকে শনিবার দুপুর আড়াইটায় পূবালী-১ লঞ্চটি যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। খাগরাছড়ি জেলার আবুল কালামের ছেলে মোঃ সোহাগ তার শ্বশুর বাড়ী থেকে লঞ্চ যোগে রওনা হয়। তাকে অনুসরন করে তুষখালী থেকে অপহরনকারী চক্রের ৩ সদস্য পথিমধ্যে সোহাগকে ধরে কেবিনে ডুকিয়ে মারধর করে নগদ ২২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এই ঘটনা মোবাইলে সে তার বন্ধু গাড়ি চালক স্বপনকে জানায়। স্বপন সাথে সাথে বরিশাল লঞ্চ ঘাটে এক দোকানদার আবুল কালাম মীরকে জানায়। লঞ্চটি বরিশাল ঘাটে ভিড়ার সাথে সাথেই আবুল কালাম মীর অপহৃতা সোহাগকে উদ্ধার করতে লঞ্চের ভিতরে উঠলে লঞ্চটি ছেড়ে দেয়। এ সময় অপহরনকারী চক্রের ৩ সদস্যরা তাকেও আটক করে কেবিনের ভিতর ডুকিয়ে বেদম মারধর করে তার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। এই ঘটনাটি লঞ্চের কয়েকজন যাত্রী দেখে নৌ-পুলিশ চাঁদপুরকে জানায়। চাঁদপুর নৌ-পুলিশের এএসআই ফারুক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে ব্যাপক তল্লাশী চালিয়ে অপহিৃতা সোহাগ ও কালামকে উদ্ধার করে। এই ঘটনার সাথে জড়িত অপহরনকারী তুসখালীর আনসার ফকিরের ছেলে রাসেল(২৬), নাছিরউদ্দিনের ছেলে আসলাম(২৫) ও হিমায়েত আখন্দের ছেলে মাহাবুব(২৫) কে আটক করে। নৌ-পুলিশ ঘটনাটি মডেল থানাকে জানালে থানার এসআই রাশেদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে নৌ-ফাড়ি থেকে অপহরনকারীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে অপহিৃতা সোহাগ বাদি হয়ে মডেল থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাদের আদালতে প্রেরন করে। আদালত তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরন করে।
