চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে দুটি লঞ্চের মুখোমুখেী সংঘর্ষের ঘটনায় দাদী-নাতিসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। ওই সময় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। মেঘনা নদীর চাঁদপুরের মোহনা এলাকায় সোমবার রাত ২ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- সাহানা বেগম (৬৫), আবরার শাকিল (৬) ও রূপা বেগম (৩০)। এদের মধ্যে সাহানা শিশু শাকিলের দাদি। দুর্ঘটনায় শাকিলের বাবা নৌ-বাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোস্তফা কামাল, তার স্ত্রী ও বোনও আহত হয়েছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত দাদী-নাতির পরিবার ঢাকার লালবাগ এলাকায় বসবাস করেন। একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সবাই লঞ্চে ঢাকা ফিরছিলেন। আহতদের মধ্যে ছয় বছরের শিশু শাকিলকে ঢাকায় নেয়ার পথে কুমিল্লা ভবেরচর এলকায় মারা যায়। এদিকে নিহত রূপা বেগম ঢাকায় আনার পথে মারা যান।
আহতরা হলেন- ফজলুল করিম (৬১), মোস্তফা কামাল (৪৫), ডালিয়া (৩৮), শিউলী (৩৫), রাব্বি (১১), মনোয়ারা বেগম (৫০), সুরাইয়া (২৮), জেরিন (৮), জাহাঙ্গীর (৩৬) ও মো. ওয়াহিদ (২০)।
লঞ্চের মো. আব্দুল্লাহ যাত্রী জানান, বরিশালগামী এমভি পারাবত-৯ লঞ্চের ধাক্কায় ঢাকাগামী এমভি সুন্দরবন-৮ লঞ্চটি দুর্ঘটনাকবলিত হয়। এতে সুন্দরবন লঞ্চের ডান দিকের চারটি কেবিন ভেঙে যায়। আহত যাত্রীদের মধ্যে ৮ জনকে চাঁদপুর সদর জেনারেল হাসপাতালে আনা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) চাঁদপুরের উপ-পরিচালক মো. মোবারক হোসেন দ্য রিপোর্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘রাতে ঘন কুয়াশার জন্য এ ঘটনা ঘটতে পারে। এ ব্যাপারে লঞ্চের চালকসহ অন্যদের বিরুদ্ধে চাঁদপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
চাঁদপুর নৌ-পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. মনির হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পর এমভি পারাবাত-৯ নামের লঞ্চটি ফের ঢাকার দিকে চলে যায়।
শিরোনাম:
রবিবার , ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ৫ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
চাঁদপুর নিউজ সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।

