শাহরিয়ার খাঁন কৌশিক ॥
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২নং চাঁন্দ্রা ইউনিয়নের কুয়েত প্রবাসী মোঃ ফরিদ গাজী(৩২)কে সিএনজিতে উঠিয়ে ফ্লিমি স্টাইলে তুলে নিয়ে অপহরন করার ঘটনা ঘটেছে। অবশেষে অপহরনের ৬ ঘন্টা পর ফরিদগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মনিরুলের তৎপরতায় অপহৃতাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। অপহরনকারিরা প্রবাসির কাছ থেকে টাকা পাওয়ায় অজুহাত দেখিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে তার কাছ থেকে স্বার্থ উদ্ধার করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। জানা যায়, ফরিদগঞ্জ উপজেলার নয়ারহাটের গিয়াস উদ্দিন গেসু মেম্বারের ছেলে ফরহাদ ৬/৭ জন অপহরনকারিদের সাথে নিয়ে গত সোমবার বিকেলে ফরিদগঞ্জ বাজার বাসষ্ট্রেন্ড এলাকায় উৎ পেতে থাকে। এ সময় ১২নং চাঁন্দ্রা ইউনিয়নের কুয়েত প্রবাসী মোঃ ফরিদ গাজী ফরিদগঞ্জ সান লাইফ ইন্স্যরেন্স অফিস থেকে কাজ শেষে সিএনজি যোগে বাড়ি ফেরার পথে ফরহাদ তাকে দেখতে পেয়ে ৬/৭ জন অপহরনকারিকে সাথে নিয়ে সিএনজিতে উঠে পরে। ফ্লিমি স্টাইলে প্রবাসী মোঃ ফরিদ গাজীকে অপহরন করে তুলে নিয়ে সন্ধ্যায় নয়ারহাটের গিয়াস উদ্দিন গেসু মেম্বারের বাড়িতে এনে আটকে রাখে। এসময় প্রবাসী মোঃ ফরিদ গাজী তার পরিবারের লোকজনকে অপহরনের ঘটনাটি জানালে তারা তাৎক্ষনিক ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশকে জানায়। পরে ফরিদগঞ্জ থানা ওসির নির্দেশে পুলিশ রাস্তায় চেক পোস্ট বসিয়ে তল্লাশী চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মনিরুল সাবেক গিয়াস উদ্দিন গেসু মেম্বারকে ফোন করে থানায় নিয়ে আসে। এসময় অপহিৃতা ফরিদ গাজির পরিবারের লোকজন বাদি হয়ে ১ জনকে আসামি করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এ সময় পুলিশের তৎপরতায় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সহযোগিতায় অবশেষে গেসু মেম্বাররের কথামত তার ছেলে ফরহাদ মোটরসাইকেল যোগে অপহিৃতা ফরিদ গাজীকে থানায় নিয়ে আসে। এসময় গেসু মেম্বার জানায়, ফরিদ আমার দূর সম্পর্কের শেলক। আমাদের মাঝে বিদেশের ব্যাপারে ভুলবুঝা বুঝি হয়েছে। তাই আমার ছোট ছেলে ফরিদকে কিছু না বলে বলে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসে।
এদিকে উভয়ের সমঝোতার ভিত্তিতে অবশেষে পুলিশ মুছলেখা রেখে গেসু মেম্বারকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়ে ও ফরিদকে তার পরিবারের কাছে হস্তন্তর করে।
