
রফিকুল ইসলাম বাবু ঃ
চাঁদপুরে রোগীর সিরিয়াল নিয়ে পুলিশ সদস্য কামড়ে দিলেন প্যাথলজির মালিক-কর্মচারীসহ ৪ জন। এতে উভয় পক্ষের হাতা-হাতিতে পুলিশ সদস্য আরিফ হোসেনের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আঁখি বেগম আহত হয়। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের স্টেডিয়াম রোড়স্থ্য চাঁদপুর প্যাথলজিতে শামসুন্নাহার তানিয়ার চেম্বারে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় প্যাথলজির মালিক সহ আহত ৪ জনকেই আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন, প্যাথলজির মালিক কিশোর সিংহ রায়, ল্যাব টেকনিশিয়ান শাওন, ফিল্ড অফিসার মানস দাস ও রিসিবসন বিভাগের জয়নাল আবেদীন। চাঁদপুর প্যাথলজি কতৃপক্ষ, পুলিশ কনস্টবল আরিফ এবং প্রত্যক্ষদর্শী অন্যান্য রোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, চাঁদপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সরকারি গাইনী চিকিৎসক শামসুন্নাহার তানিয়া প্যাথলজিতে একটি চেম্বারে নিয়মিত রোগী দেখে থাকেন। ১১ জুলাই মঙ্গলবার সকালে তার চেম্বারে সদর উপজেলা খেরুদিয়া গ্রাম থেকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনে কর্মরত পুলিশ কনস্টবল আরিফ হোসেন তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আঁখি বেগমকে নিয়ে আসেন। সেখানে আঁখির সিরিয়াল নাম্বার দেয়া হয় ১৭।এসময় রিসিপসনের থাকা শাওন ১৭ নাম্বারের রোগী আঁখিকে রেখে ১৮ নাম্বারের এক রোগীর নাম ডাকেন। এতে তাৎক্ষনাত সিভিল পোশাকে থাকা পুলিশ সদস্য আরিফ ক্ষিপ্ত হয়ে চাঁদপুর প্যাথলজির মালিক কিশোর সিংহ রায়, ল্যাব টেকনিশিয়ান শাওন, ফিল্ড অফিসার মানস দাস ও রিসিবসন বিভাগের জয়নাল আবেদীনের সাথে তর্কে জড়িয়ে যান। বিষয়টি এক পর্যায়ে হাতা-হাতির পর্যায়ে চলে যায়। এসময় পুলিশ সদস্য উল্লেখিত প্যাথলজির ৪জনের হাত কামড়িয়ে আহত করেন। পরে উপায়ন্তর না পেয়ে তিনি বিষয়টি চাঁদপুর সদর মডেল থানাকে অবহিত করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়ালি উল্যাহ অলি ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এসময় উত্তক্ত পরিস্থিতি শান্ত করতে চাঁদপুর প্যাথলজির মালিক কিশোর সিংহ রায়, ল্যাব টেকনিশিয়ান শাওন, ফিল্ড অফিসার মানস দাস ও রিসিভসন বিভাগের জয়নাল আবেদীনকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়ালি উল্লাহ অলি বলেন, বিষয়টি আমরা চদন্ত করে দেখছি। এই ঘটনায় যেই অভিযুক্ত হবেন তার বিরুদ্ধে আমরা আইনানুক ব্যবস্থা নিবো।
