শাহরিয়ার খাঁন কৌশিক ॥
চাঁদপুর শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে দির্ঘদিন যাবত যমুনা অয়েল এজেন্সির সাইন বোড সাটিয়ে মিজানুর রহমান পাটওয়ারী নামে অসাধু ব্যাবসায়ি চট্রগ্রাম থেকে চোরাই ভাবে তেলের লড়ি বেঝাই করে তেল আনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আবাসিক এলাকায় ফ্লাট বাসায় গোডাউন বানিয়ে তেল মজুদ রেখে বিক্রী করার যে কোন সময় বড় ধরনের দূরঘটনার আশংঙ্খা দেখা দিয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত ২ টায় গভীর রাতে চট্রগ্রাম থেকে তেলের লড়ি পেট্রোল তেল বোঝাই করে এনে বঙ্গবন্ধু সড়কের আবাসিক এলাকায় মিজানুর রহমান পাটওয়ারীর তার দোকান ও গোডাউনে আনলোড করে। যমুনা অয়েল কোম্পানীর সাইন বোড ব্যাবহার করে তেল বিক্রী করায় মিজানুর রহমান পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করার জন্য চট্রগ্রাম বিভাগের যমুনা অয়েল কম্পানীর এসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার সৈয়দ শহীদুল ইসলামের স্বাক্ষরীত একটি অভিযোগ পত্র জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বরাবর পাঠানো হয়েছে। গত কয়েক দিন পূর্বে জেলা প্রশাষকের নির্দেশ্যে নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চালিয়ে মিজানুর রহমান পাটওয়ারীর কাছ থেকে জরিমানা আদায় করে এবং প্রথম বারের মত সুযোগ দিয়ে যমুনা অয়েল কোম্পানীর সাইন বোড খুলে ফেলার নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে সে আবারো যমুনা অয়েল কোম্পানীর সাইন বোড লাগিয়ে অবৈধ ভবে তেল বিক্রী করছে। জানা যায়, ফরিদগঞ্জ চান্দ্রা লোহাঘড় মৃত ছাদেক পাটওয়ারীর ছেলে মিজান পাটওয়ারী এক সময় যমুনা অয়েল কোম্পানীর সাধারন শ্রমিক হিসেবে চাকরী করতো। দূর্নিতীর কারনে যমুনা অয়েল কোম্পানী থেকে তার চাকরী চলে যায়। তার পর থেকে মিজান পাটওয়ারী যমুনা অয়েল কোম্পানী মান খূর্ন করতে তাদের সাইনবোড দোকানে লাগিয়ে ও নকল মেমো বানিয়ে চোরাই তেল বিক্রী করে আসছে। তেমনি শনিবার গভীর রাতে তেলের লড়ি পেট্রোল তেল বোঝাই করে এনে দোকান ও গোডাউনে আনলোড করে। আবাসিক এলাকায় এভাবে তেল মজুদ করার যে কোন সময় আগুন লেগে বড় ধরনের দূরঘটনা ঘটার সম্ভবনা রয়েছে। যমুনা অয়েল কম্পানী সূত্রে জানা যায়, মিজান পাটওয়ারীর চাকরী যাওয়ার পর আদালতে তার সাথে মামলা চলে আসছে। সে প্রতারনা করে যমুনা অয়েল কোম্পানীর সাইন বোড ব্যাবহার তেল বিক্রী করে আসছে। সে যমুনা অয়েল কোম্পানীর তেলের এজেন্টার নয়। অবৈধ ভাবে চট্রগ্রাম থেকে বেসরকারি শোধনাঘার থেকে কম দামে তেল এনে বিক্রী করে আসছে। এতে করে সরকার প্রতি লিটার পেট্রোল ও অকটেনে ৪০ টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এছাড়া মিজান তেলের এজেন্টার না হয়ে প্রতিদিন চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকায় খুচরা ও পাইকারি দোকানদারদের তেল কাছে বিক্রী করে। গেল কিছুদিন পূর্বে নারি নির্যাতন মামলা ও অর্থ আত্মসাৎ করার ঘটনায় স্ত্রীর দায়েরকৃত মামলায় দির্ঘদিন জেলা কারাগারে ছিলেন। সে জেল থেকে বের হয়ে আবারো চোরাই তেল এনে বিক্রী করা শুরু করেছে। মিজানের বিরুদ্ধে প্রশাসন আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করলে এই চোরাই তেল বিক্রী বন্ধ করা সম্ভব হবে বলে সচেতন মহল ধারনা করছে।
