শাহরিয়ার খাঁন কৌশিক ॥
চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথে ১০টি বগির মধ্যে ২টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ৬ ঘন্টা পর ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে রেলওয়ের লাকসামে অবস্থিত উদ্ধারকারী টিমের ৫০জন কর্মী রেলপথ সচল করে ট্রেন চলাচলের স্বাভাবিক অবস্থার সৃষ্টি করেন। এতে করে চাঁদপুর-চট্টগ্রাম ঈদ স্পেশাল-১/২, ড্যেমু ও আন্তঃনগর মেঘনা এক্সপ্রেস শত শত যাত্রী সঠিক সময়ে তাদের গন্তব্যে পৌছতে না পেরে হয়রানী ও সীমাহিন দূর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও চিতশী স্টেশন মাস্টার তপন কুমার মিত্র জানান, গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় চট্টগ্রাম থেকে ঈদ স্পেশাল-১ চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। বিকাল ৪ টায় শাহ্রাস্তি উপজেলা চিতশী কান্দিরপার নামক স্থানে এসে ট্রেনটি ১০টি বগির মধ্যে ২টি বগি লাইনচ্যুত হয়। রেলওয়ের উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষ তৎক্ষনিক আধুনিক সরঞ্জামাধী নিয়ে ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে ৬ ঘন্টাপর রাত ১০টায় এরুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করে তুলেন। এ ৬ ঘন্টা চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথ বন্ধ থাকায় চট্টগ্রাম থেকে বিকাল সাড়ে ৩ টায় ছেড়ে আসা ঈদ স্পেশাল-২, ড্যেমু ও আন্তঃ নগর মেঘনা এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম থেকে বিকাল ৫ টায় চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে এসে ৩টি ট্রেনই লাকসাম ও চাঁদপুর এলাকায় শত শত যাত্রী নিয়ে আটকা পরে। প্রতিটি ট্রেন বিলম্বের কারনে বিকাল ৫ টা, রাত ৮ টা ৫ মিঃ ও রাত ১০ টারস্থলে রাত ১২টা ও ১টায় চাঁদপুর এসে পৌছে। এর ফলে শত শত যাত্রী বিলম্বে ট্রেন আসায় মারাত্বক হয়রানী ও সীমাহীন দুর্ভোগের মধ্যে পড়ে। দক্ষিণ অঞ্চলীয় অসংখ্য যাত্রী চাঁদপুর এসে লঞ্চ না পেয়ে রাতভর নৌ-টামিনালে শিশু বাচ্চা, মহিলাদেরকে নিয়ে বিলম্বনার মধ্যে সময় কাটাতে হয়। চাঁদপুর নৌ-বন্দর কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রবিবার সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে যাত্রীদের বিশেষ ব্যবস্থায় তাদের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন নৌ-কর্তৃপক্ষ।
।

