শহর প্রতিনিধি
চাঁদপুর শহরে যত্রতত্র বখাটে যুবকদের উপদ্রত আবারো বৃদ্ধি পেয়েছে। এরা সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে থেকে স্কুল ও কলেজে পড়–য়া নারীদেরকে করেই চলছে। বিশেষ করে শহরের ছায়াবাণী মোড়, আলিমপাড়া পরিত্যক্ত রেললাইন, অঙ্গীকার সম্মুখ, চাঁদপুর প্রধান ডাকঘর, জামতলা রাস্তার মাথা, পুরাণ মধুসুদন, নূরীয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, প্রেসক্লাব সড়কের মাতৃমঙ্গল হাসপাতালের পেছনে, নতুনবাজার-পুরাণবাজার সেতুর উপর এসব বখাটে যুবকদের আনাগোনা সবচে’ বেশি পরিলক্ষিত হয়। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এসব বখাটে যুবকরা গুরুত্বপূর্ন স্থান সমূহে দাঁড়িয়ে থেকে মাতৃপীঠ, আল-আমিন ছাত্রী শাখা, লেডীদেহলভী, লেডীপ্রতিমা, নূরীয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, পুরাণবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত ছাত্রীরা আসা-যাওয়ার পথে এসব বখাটে যুবকরা তাদেরকে নানাভাবে নাজেহাল করে থাকে।
এমনো দেখা যায়, মেয়েদেরকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করলে তারা যদি কোন সাড়া শব্দ না করে তাহলে পরণের বস্ত্র ধরেও অনেক সময় টানাহেচড়া করে থাকে। এর ফলে এ সব ছাত্রীরা বিদ্যালয় আসা-যাওয়ার পথে শঙ্কিত অবস্থায় থাকতে হয়। অনেক অভিভাবকরা তাদের কন্যা সন্তানদেরকে শিক্ষা কেন্দ্রগুলোতে পাঠিয়ে দুঃচিন্তা থাকতে হচ্ছে। এ সব বখাটে যুবকরা যে কোন সময় মেয়েদেরকে ক্ষতি করতে পারে বলে অনেক অভিভাবক মনে করেন। শুধু বখাটে যুবকদের দোষ দিলে চলবে না। এমনো কিছু মায়ের কন্যা সন্তান রয়েছে যারা স্কুল কলেজে আসার নাম করে বিভিন্ন যুবক নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ায়। চাঁদপুরের বড় স্টেশন মোলহেড থেকে শুরু করে পদ্মা মেঘনায় জেগে উঠা বিভিন্ন চরে এসব যুবক-যুবতীরা নৌকা নিয়ে ছুটে যায়। এ ছাড়াও শহরতলীর আশিকাঠি ইউনিয়নের ফাইভ স্টার ও পল্লীবিদুৎ এলাকার কৃতিকুঞ্জ নামক পার্কে গিয়ে দীর্ঘ সময় তারা কাটিয়ে থাকে। সচেতন অভিভাবকরা মনে করেন বখাটে যুবকদের জন্য আইনি ব্যবস্থা ও এসব পার্কের কর্তৃপক্ষ যেন যুবক-যুবতীদের প্রবেশ করতে না দেয় সেদিকে যেন দৃষ্টি দেয়া হয়।

