
ফাহিম শাহরিন কৌশিক খান =
৫১নং মৈশাদী বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ইয়াছমিন সুলতানার বিরুদ্ধে স্কুল ছাত্রীকে নির্যাতনের ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় ঘটনা তদন্তে স্কুলে শিক্ষা কর্মকর্তা পরিদর্শন করেন। মৈশাদী ইউনিয়নে মিজি বাড়ির অসহায় হতদরিদ্র গার্মেন্টস কর্মী জেসমিন বেগমের ৮ বছরের শিশু কন্যা কুলছুমাকে আটকে রেখে শারিরিক নির্যাতন করে ১ বছর পর মুক্তি দেওয়ার খবর চাঁদপুর নিউজসহ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ায় অভিযোক্ত প্রধান শিক্ষিকা গাঁ ডাকা দিয়েছে। ঘটনা তদন্তে ছাত্রী নির্যাতনের অভিযোক্ত প্রধান শিক্ষিকা ইয়াছমিন সুলতানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গতকাল রবিবার দুপুর ১১টায় উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিরুজাম্মান খান বিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনার সত্যতার প্রমান পায়। শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়ে তদন্ত যাওয়ার খবর শুনে প্রধান শিক্ষিকা ইয়াছমিন সুলতানা মুঠোফোনে সহকারী শিক্ষিকা কামরুন নাহারকে ঘটনাটি মিথ্যে বলার জন্য বলেন। সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনিরুজ্জামান স্কুলে গিয়ে নির্যাতিত কুলছুমাকে অনুপস্থিত দেখে বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের তার সম্পর্কে জানতে চাইলে তাকে ছিনেনা এমনকি কখনো কুলছুমা স্কুলে দেখেনি বলে জানান। কিন্তু প্রধান শিক্ষিকার কত মত শ্রেনী শিক্ষক কামরুনাহার ছাত্রী কুলছুমাকে ছিনেও প্রতিদিন স্কুলে আসে বলে জানান।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাজমা বেগম জানায় স্কুল ছাত্রী কুলছুমা নির্যাতনের ঘটনা যাচাইয়ের জন্য উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মনিরুজ্জামানকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। ঘটনা সত্যতার প্রমান পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। সহকারী শিক্ষা অফিসারের সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন স্কুলে গিয়ে শিশু ছাত্রী কুলছুমাকে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পুনখানু ভাবে তদন্ত করে উদ্ধর্তন কর্তপক্ষকে প্রতিবেদন দেওয়া হবে। তারাই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। তবে কবে নাগাদ প্রতিবেদনের রিপোর্ট দেওয়া হবে সেবিষয়ে তিনি কোন সুনিদিষ্ট তথ্য দেয়নি তিনি। উল্লেখ্য ৫১নং মৈশাদী বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিযোক্ত প্রধান শিক্ষিকা ইয়াসছমিন সুলতানা বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেনীর ছাত্রী ৮ বছরের কুলছুমাকে পড়া লেখার কথা বলে শহরের মাদ্রসা রোডে ভাড়াটিয়া বাসায় আটকে রেখে জিয়ের কাজ করাতো। ১ বছর পর কুলছুমা আক্তার তার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে পালিয়ে বাড়ি যাওয়ার পরে শিক্ষিকা ইয়াছমিন সুলতানার আসল রুপ বেরিয়ে আসে। ইয়াছমিন সুলতানা ও তার স্বামী বনবিভাগের কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন শিশু নির্যাতনের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডস্থ একটি অফিসে নির্যিিতত শিশু কুলছুমার পরিবারের সাথ সমযোতায় বসে। পরে চিকিঃসা যথসামন্যা টাকার বিনিময়ে লোমহর্ষক ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় এলাকার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা প্রমান পেয়ে মূল রহস্য পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশ করে। তলের বিড়ালের মত মূল রহস্য বেরিয়ে আসলে ও ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় প্রধান শিক্ষিকা ইয়াছমিন সুলতানা মেডিকেল সার্টিফিকেটের মাধ্যমে ছুটি নিয়ে স্কুলে না গিয়ে বাসায় অবস্থান করছে এবং তার সুভাকাংক্ষিদের মাধ্যমে ঘটনা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসকে ম্যানেজ করার প্রক্রিয়া চলছে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে।
শিরোনাম:
বুধবার , ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১৬ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
