
ফাহিম শাহরিন কৌশিক খান ঃ
চাঁদপুর শহরের ডাকাতিয়ার নদীর পড়ে দীর্ঘ ১শত বছর যাবৎ বেঁেধ সম্পদায় বসবাস করে আসছে। এলাকার একটি ভূমিদস্যচক্র বেঁধে পল্লী উচ্ছেদ করে দখল করে নেওয়ার জন্য লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গভীর রাতে স্ট্যান্ড রোডস্থ চৌধুরী ঘাট এলাকার নদীর পড়ে সরকারি খাস জমি তরিগড়ি করে টিনের ছাউনি ও বেড়া লাগিয়ে দখল করার কাজ চলছে। গতকাল বুধবার বিকালে বেঁধে পল্লী এলকায় গিয়ে দেখা যায়, ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে সরকারি শতাধিক শতাংশ জমি টিন ও বেড়া লাড়িয়ে যবর দখল করার লিপ্ত রয়েছে এলাকার একটি ভূমিদস্যচক্র। ভূমি অফিস ও সংশিষ্ট দপ্তরের কিছু অসাধূ কর্মকর্তাদের সহযোগীতায় তারা রাতের আধাঁরে দখল করার প্রতিযোগীতায় নেমেছে। ডাকাতিয়ার নদী পাড়ে প্রায় শত বছর যাবৎ বেঁধে সম্পদায় বসবাস করে আসছে। তাদেরকে উচ্ছেদ করার জন্য ঐই চক্রটি দীর্ঘদিন যাবৎ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্পতি বেঁধে সম্পদায়ের বসতঘর ভাংচুর চালিয়ে তাদের ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে দখল করার চেষ্টা করেও তখন ব্যাথ হয়। তারা পুনঃরায় সক্রিয় হয়ে নদীর পাড়স্থ সরকারি খাস সম্পতি রাতের আধাঁরে সন্ত্রাসী বাহীনি নিয়ে টিনের ভেড়ার বেস্টুনি দিয়ে দখল করার পায়তারায় লিপ্ত রয়েছে।
বেঁধে সম্পদায়ের বেশ কয়েকজন লোক জানায়, স্ট্যান্ড রোডের ব্যবসায়ী কিরন ও নুরনবী গং সরকারি খাস সম্পতি এভাবে দখল করে নিচ্ছে। এ ছাড়া তাদের সহযোগীরা জেলা প্রশাসকের নাম ভাঙ্গীয়ে ও নিজের নামে লিজ এনেছে বলে মিথ্যে বলে সকলকে ধোকা দিয়ে প্রর্যায়ক্রমে এ সম্পতি দখল করে নিচ্ছে। গত শুক্রবার রাতে এ ভূমিদস্যচক্রটি বেঁেধ পল্লীর পাশে টিনের ভেড়া লাগিয়ে সম্পতি দখল করার সময় ভূমি অফিস ও এসিলেন্ড অফিসের কর্মকর্তাদের ফোন করে বিষয়টি অবগতি করার পরেও তারা কোন ব্যবস্থা নিতে আসেনি বরং ভূমিদস্যদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে সরকারি সম্পতি দখল করার সহযোগীতা করছে। এতে করে সরকার তার সম্পতি যে ভাবে হারাচ্ছে। তেমনি কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্জিত হচ্ছে। এ ভূমিদস্য ও অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করলে কমে যাবে সরকারি খাস সম্পতি দখল।
শিরোনাম:
মঙ্গলবার , ১৪ জুলাই, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ৩০ আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
