
শাহরিয়ার খান কৌশিক
চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের সমর্থক এবং কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংর্ঘষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় এক শিশু সহ আহত হয়েছে প্রায় শতাধীক। সকাল ৮টায় ভোটগ্রহন শুরু হওয়ার পরপরি কাউন্সিলর প্রার্থীরা রায় নিজেদের পক্ষে নেয়ার জন্য ভোটারদের এনে কেন্দ্রে প্রবেশ করে ভোট প্রদানের চেষ্ঠা করে ও জাল ভোট দেয়ার পায়তারা করে। এনিয়ে একে অপরের সাথে ধওয়া পাল্টা ধাওয়ার সুত্রপাত ঘটে। সকালে আক্কাছ আলী স্কুলে কেন্দ্রে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে আজ্ঞাত এক শিশু নিহত হওয়ার গুজব উঠেছে। পুরাণবাজার ২নং বালক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী লায়লা হাসান চৌধুরী ও ফারজানা আক্তার ভুইয়ার সাথে হাতা-হাতির ঘটনা ঘটে। মধুসূধন স্কুল কেন্দ্রে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় আহত হয়েছেন ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হানজালা শেখ ( পাঞ্জাবী)। সে আহত হয়ে চাঁদপুর সরকারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।
১২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মিজানুর রহমান ভূঁইয়া লিটন (টেবিল ল্যাম্প)কতিপয়
সন্ত্রাসী বেদম প্রহার করে আহত করে, এছাড়া শারিরীক ভাবে অপর কাউন্সিলর প্রাথী নজু বেপারী ( ডালিম) এবং আছলাম তালুকদারকে (পানির বোতল) লাঞ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া যায়। বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে হামলা ও সংর্ঘষের ঘটনায় হাসপাতালে এপর্যন্ত প্রায় ২৫জন চিকিৎসা নিয়েছে বলে জরুরী বিভাগ রেজিষ্টার তালিকা থেকে জানা যায়। আহতরা হলেন, ইফতেখার (৪৫) আলী আজগর ( ৪২), খাতিজা বেগম, (৪২) রনি (২৫), হামজাল শেখ (৩৫), মামুর (২৩) মো. জনী খান (২৭) রাজু দর্জী (২৩) দ্বীন ইসলাম (২৮), শুক্কুর আলী (৩০) রিয়াদ (১৮) ইমরান (২৭), হিরণ চৌধুরী (৪৫), শহীদ (১৮) রেহানা বেগম (২২), শিমু বেপারী (২৭) তানজিল (২০), অনিক (১৮), শকাকুর খলিফা (১৯) সাইফুল ইসলাম (২২)। এছাড়া জাফরাবাদ বটতলা স্কুল কেন্দ্রে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়েছেন ওয়াদুদ ছৈয়াল ও রফিক মজুমদার (৪৫)। এ দুজন স্থানিয় ভাবে চিকিৎসা নিয়েছে। ভোট কেন্দ্রে হাঙ্গামার ঘটনায়, সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আধা ঘন্টা ১নং ওয়ার্ডের মধুসুদন ও ২নং বালক প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ রাখা হয়। এছাড়া ৩নং বালক, নুরিয়া হাই স্কুল ও জাফরাবাদ বটতলা স্কুল কেন্দ্রেও একই ঘটনা ঘটে।
