আজকালকার দিনে প্রায়ই শোনা যায় ওভারিতে সিস্ট। অল্পবয়সী মেয়েরা নাকি এই সমস্যায় ভোগেন।
আমরা জানি, ইউটেরাস বা জরায়ুর দু’পাশে দু’টো ওভারি থাকে। একটি হরমোন উৎপাদন করে, আরেকটির কাজ ডিম্বাণু তৈরি করা। ওভারিতে তিন ধরনের গ্রোথ হয়। সেগুলি হল- ক) ফলিড যা থেকে টিউমার হয়, খ) তরল পদার্থ ভর্তি বেলুনের মতো পদার্থ যা সিস্টে পরিণত হয়, গ) আংশিক ফলিড, আংশিক সিস্ট।
সিস্ট যে-কোনও বয়সেই হতে পারে। সিস্টের রকম বয়সের ওপর নির্ভর করে। ম্যালিগন্যান্ট বা ক্যান্সার সিস্ট এবং নিরীহ সিস্ট-এই দু’ধরনের সিস্ট হতে পারে। বয়স যত বাড়ে বা মেনোপজের পর কারোর সিস্ট হলে তাঁর ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
অনেকসময় সিস্ট খুব বড়ো হয়ে যায়, ফলে পেট ফুলে যায়। আবার কখনও কখনও সিস্ট লাট্টুর মতো পাক খায়, যার ফলে পেটে তীব্র যন্ত্রণা হয়। আবার অনেকসময় ওভারিতে সিস্ট ইনফেকশন হয়ে ফেটে যায়। যার ফলে খুব ব্যথা হয়, এমনকি জ্বরও হতে পারে। এইসমস্ত লক্ষণ ছাড়াও বিশেষ এক ধরনের সিস্ট রয়েছে, যাকে চকোলেট সিস্ট বলা হয়। এক্ষেত্রে জমা রক্ত চকোলেট রং ধারণ করে। এই সিস্ট আশেপাশের
অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঙ্গে জড়িয়ে যায়। ফলে শারীরিক মেলামেশা, মাসিকের সময় প্রচণ্ড ব্যথা হয়। এমনকি বন্ধ্যাত্ব দেখা দিতে পারে।images (1)
শারীরিক পরীক্ষা, আলট্রাসোনোগ্রাফি করলে সিস্ট ধরা পড়ে।
এখানে বলে রাখা দরকার, ছোটো ছোটো অনেক সিস্ট ওভারিতে ছড়িয়ে পড়ে, যাকে পলিসিসটিক ওভারি বলে। এর ফলে মাসিকের সমস্যা, অনিয়মিত ঋতুস্রাব, বন্ধ্যাত্ব দেখা যায়।
এ রোগের জন্য হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাই উত্তম।
***********************************************************
ডাঃ এস.জামান পলাশ
জামান হোমিও হল
01711-943435
ওয়েব সাইট –www.zamanhomeo.com
ব্লগ–https://zamanhomeo.com/blog

