চাঁদপুরে পানের বাজার আকাশচুম্বী। প্রতি বিড়া খিলিপান ৩/৪শ’ টাকায় বিক্রি হওয়ায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতারা বিপাকে রয়েছে। এমনকি বর্তমান সময়ে পান সংকট দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধি করে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। শীতকালীন শুস্ক মৌসুমে চাঁদপুর,রাজশাহীসহ দণিাঞ্চলে পানের বরজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারনে চাঁদপুরসহ সারাদেশে পানের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা যায়। শুস্ক মৌসুম অতিবাহিত হওয়ার পরই সারাদেশে প্রচন্ড খরপতাপে পানের বরজের পান ঝড়ে যাওয়ার কারনে পানচাষীরা বিপাকে পড়ায় পানের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি ২ মাস যাবৎ চাঁদপুরসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে পান সংকটে পড়তে হয়েছে। চাঁদপুরের পুরাণবাজার ও নতুনবাজার পানের আড়ত গুলোতে পান সংকট রয়েছে। এসব আড়ত গুলোতে এখন আর তেমন পান আসছে না। বিশেষ করে চাঁদপুরের পানের ব্যবসায়ীরা রাজশাহী, চট্রগ্রাম, বান্দের হাট, হরিণাথপুর এলাকা থেকে প্রতি সপ্তাহে দু’বার পান আমদানী করে থাকে। কিন্তু পানের বরজে পানের সংকট দেখা দেওয়ায় সপ্তাহে একদিন পান আসে যা দিয়ে চাঁদপুরবাসীর চাহিদা মিটানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। চলতি মৌসুমে পানের আকাশচুম্বী হলেও “মানুষ অভ্যাসের দাস” চাহিদানুযায়ী পান ক্রয় করে খাচ্ছে। বর্তমান সময়ে চাঁদপুরে রাজশাহী প্রতি বিড়া পান খুচরা দোকান গুলোতে ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ’ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। চাঁদপুরের দক্ষিনাঞ্চল বান্দেরহাট, হরিণাথপুর এলাকার পান প্রতি বিড়া ২শ থেকে আড়াইশ’ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। চট্রগ্রামের পান এখন চাঁদপুরে আসে না বলে ব্যবসায়ীরা জানান। খুচনা খিলিপান বিক্রেতারা পানের দাম বৃদ্ধি প্রতি খিলি পান ৫ টাকা বিক্রি করছে। তবে বিক্রেতা ও ক্রেতাদের মাঝে ৫ টাকা দাম করায় তর্কযুদ্ধ চলে। খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, পানের দাম বৃদ্ধি পেলেও ক্রেতারা দাম বাড়িয়ে দিতে নারাজ। প্রতিদিনই ক্রেতাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।
শিরোনাম:
সোমবার , ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ৪ ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
