শাহারিয়ার খান কৌশিক ॥ চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পার্সপোট করতে এসে শারমিন আক্তার (২০) এক যুবতী দালালের ক্ষপ্পরে পরেছে। দালালের মারফতে পার্সপোট না করায় তাকে রোহিঙ্গা অপবাদ দিয়ে পাসপোর্ট কর্মকর্তাকে ভুল তথ্য প্রদান করে পুলিশের কাছে সোর্পদ করেছে। চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ যুবতী শারমিন আক্তারের প্রকৃত ঠিকানা যাচাই বাচাই করার পর চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ চান্দ্রায় তার বাড়ি নিশ্চিত হয়ে অবশেষে তাকে মুক্তি দেয়। ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার দুপুর সাড়ে ১১টায়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, চান্দ্রার যুবতী শারমিন আক্তার বিদেশে যাওয়ার জন্য তার খালাকে নিয়ে পাসপোর্ট করতে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আসে। এসময় ভদ্র বেশী কয়েকজন দালাল তাদের পাসপোর্টটি করিয়ে দেওয়ার নাম করে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। তাদের দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করে নিজেরাই পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট করবে বলে ভিতরে প্রবেশ করে। এসময় এক দালাল যুবতী শারমিন আক্তারকে দ্রুত পাসপোর্ট আনার জন্য বার্মা থেকে এসেছে একথা শিখিয়ে দিয়ে পাসপোর্ট কর্মকর্তাকে জানানোর জন্য বলে। দালালের কথা মতো যুুবতী সে কথা বলার পর পাসপোর্ট কর্মকর্তার (এডি) সহকারী পরিচালক বিপুল কুমার গোস্বামীর সন্দেহ হলে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে মডেল থানার এ.এস.আই বিপ্লব সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পাসপোর্ট অফিস থেকে শারমিন আক্তারকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। চাঁদপুর মডেল থানা থেকে তার পুণাঙ্গ ঠিকানা নেওয়ার জন্য ফরিদগঞ্জ থানায় বার্তা পাঠানো হয়। ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ যাচাই বাচাই করে তার প্রকৃত ঠিকানা চান্দ্রা নিশ্চিত হয়ে পুলিশকে অবগত করে। পরে রাতেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ব্যাপারে পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক বিপুল কুমার গোস্বামীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, যুবতী শারমিন আক্তার তার খালাকে নিয়ে পাসপোর্ট করার জন্য আসে। তার প্রকৃত ঠিকানা গোপন রেখে চাঁদপুর পৌরসভা থেকে জন্ম নিবন্ধন নিয়ে পাসপোর্ট করতে আসে। এসময় সে তার বাড়ির বার্মার পরিচয় দেয়। দুই বছর পূর্বে চাঁদপুরে এসেছে বলে জানানোর পর রোহিঙ্গা সন্দেহে পুলিশকে খবর দিয়ে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়। পরে যাচাই বাচাই করে পুলিশ পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পাসপোর্ট অফিসে ভদ্রবেশী কিছু দালাল চক্র নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য সাধারণ মানুষদের বিভিন্নভাবে ভোগান্তি করে থাকে। অসহায় এই যুবতী পাসপোর্ট করতে গিয়ে দালালের ক্ষপ্পরে পরেছে। পরে পাসপোর্ট কর্মকর্তা তাকে রোহিঙ্গা ভেবে পুলিশ কে খবর দেয়। প্রাথমিক অবস্থায় তারা যাচাই বাচাই না করায় এই সমস্যায় যুবতীকে পরতে হয়েছে।

