প্রতিনিধি
চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ-রায়পুরের একাধিক অঞ্চলের বোরো চাষের সুবিধার্থে প্রায় ৮২ কি. মি. দৈর্ঘ্য নিয়ে ওয়াপদা বেড়িবাঁধ। বেড়িবাঁধের পাশেই রয়েছে ওয়াপদা বোরোপিট খাল। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ওই খাল কেটেই বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ উদ্বোধন করেছিলেন। বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে গিয়ে খালটির উৎপত্তি।
বর্তমানে খালে অপরিকল্পিতভাবে প্রভাবশালীদের বালি উত্তোলন শুষ্ক মৌসুমে মাটি কাটা এবং বেড়িবাঁধের দুই পাশ কেটে ফসলী জমি থেকে ট্রাক্টর দিয়ে মাটি কাটায় বেড়িবাঁধটি বর্ষা মৌসুমর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের অভিমত, পানি উন্নয়নবোর্ডের নজরদারি না থাকার কারনে খালটি ব্যবহার হচ্ছে প্রভাবশালীদের স্বার্থে।
সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে খালের পার্শ্ববর্তী বাসিন্দারা নিজেদের প্রয়োজনে খালের পাড় ভরাট করে বসতভিটার স্থান সম্প্রসারণ করছে। ফরিদগঞ্জের গল্লাক থেকে শুরু করে বাগাদী চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রায় খালের দুই পাশে প্রায় ৩০ কি. মি. দীর্ঘ এলাকার অর্ধশতাধিক স্থানে মাটা কাটা হচ্ছে এবং প্রভাবশালীরা গভীর করে মাটি কেটে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গেছে। গভীর করে মাটি কাটার অনেক স্থানে দেখা গেছে বাঁধের অংশ দেবে গেছে।
এছাড়া ফরিদগঞ্জের ৪নং সুবিদপুর ইউনিয়ন এলাকার আইটপাড়া, ভূলাচৌ, শোল্লা এলাকার একাধিক অংশে ঘুরে দেখা যায়, বসতভিটার অংশ বাড়ানোর জন্য খালের পাড় ভরাট করে রেখেছে কেউ আবার ফসলী জমি থেকে মাটি কাটার প্রয়োজনে খালের উপর দিয়ে ট্রাক্টর চলাচল করার সুবিধার্থে বাঁধ দিয়ে রাস্তা তৈরী করেছে।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বিষয়টি তার অধীনে নয়।
অপরদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি সূত্রে জানা যায়, ইরি চাষের সুবাদে পহেলা জানুয়ারিতে চর বাগাদী পাম্প থেকে খালে পানি ছাড়া হবে। কিন্তু খালের বিভিন্ন স্থানে বাঁধ নির্মাণ ও প্রভাবশালীদের স্বার্থে খালের দুই পাশ ভরাট করে রাখায় সব অঞ্চলে পানি পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে যেতে পারে এবং ব্যবহত হতে পারে ইরি ধান চাষের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেচ প্রকল্প।
শিরোনাম:
রবিবার , ১২ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ২৯ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
