
শিমুল হাছান:
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নে মামলার স্বাক্ষী দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও গেল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বনদ্বীতাকারী রেহানা বেগমসহ আহত হয়েছে ৫ জন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাযায়, উটতলী মুন্সীবাড়ীর মেহেরাজ, মোস্তফা, মেহেদী, জাহাঙ্গীর, মিজান, আকলিমা, নয়ন, সুফিয়া, নাঈমসহ কতিপয় বখাটে একই জোসনা বেগমকে গত কয়েক দিন পূর্বে তুচ্ছ ঘটনাকে করে মারধর করে। সে ঘটনায় জোসনা থানায় অভিযোগ করে এবং রেহানা বেগম অভিযোগের স্বাক্ষী হয়। এতে তাহার (অভিযুক্তরা) ক্ষিপ্ত হয়ে রেহানা বেগমের ঘরে ডুকে বেদম মারধর, র্শ্রীলতাহানিসহ নগদ অর্থ ও স্বর্নালন্কার নিয়ে যায়। রেহানা বেগমের ডাক চিৎকারে জোসনা বেগম, তাছলিমা আক্তার, কনা ও রীনা বেগম তাকে উদ্ধার করতে আসায় তাদেরকে বেদম ভাব প্রহার করে এবং শ্রীলতাহানি করে। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়।
এ ব্যাপারে রেহানা বেগম ও প্রতক্ষ জানায়, মেহেরাজ, মোস্তফা, মেহেদী,জাহাঙ্গীর, মিজান,আকলিমা, নয়ন,সুফিয়া,নাঈম দেশীয় অস্রসস্র নিয়ে এলোপাথাড়ি আক্রমন করে, পূর্ব পরিকল্পিত এ সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটায়। এদের মধ্যে কতিপয় সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন যাবত ইয়াবা বিক্রয়, সেবন ইভটিজিং সহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের সাথে জড়িত। এসকল সন্ত্রাসীরা কিছুদিন পূর্বে স্হানীয় ওয়ার্ড মেম্বার একই বাড়ীর রুহুল আমিন ও তার ছেলেকে মারধর করে এবং লক ডাউনের মধ্যে কিছুদিন পূর্ব আরো একবার জোসনা বেগমকে মারধর করে, এ ব্যাপারে মেম্বার রুহুল আমিন মামলা ও জোসনা বেগমের জি ডি রয়েছে।ঐ দুটি মামলা ও জিডির স্বাক্ষী রেহানা বেগম হওয়ায় ও তাদের ইয়াবা সেবন এবং ইভটিজিং এর প্রতিবাদ করায় মুলত এসকল সন্ত্রাসীরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে এ হামলা ন্যাক্কারজনক জনক ঘটানা ঘটায়।
এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের বাড়িতে খোঁজ করে তাদের পাওয়া যায়নি।
এমতাবস্থায়, এ সকল সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী অফিসার মো. জালাল উদ্দিন বলেন, আমি অভিযোগ পেয়ে গটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং তাদের আটকের জন্য আমাদের চেষ্টা অভ্যাহত রয়েছে।
