রফিকুল ইসলাস বাবু ॥
চাঁদপুর শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে লরি থেকে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আজ শনিবার রাত ১১টায় দগ্ধ তেলের ট্যাংক লরির চালক বাদশা মিয়া (৫০) চাঁদপুর সদর হাসপাতালে মারা গেছেন। তার লাশ সদর হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য রাখা হয়েছে। এ নিয়ে ১১দিনে নিহতের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৫জনে। এর আগেরদিন শুক্রবার ভোরে তেল ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান (৫০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। চাঁদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার মো.নজরুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত ৩১ আগস্ট বুধবার দিবাগতরাত সাড়ে ১২টায় চাঁদপুর শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে অবস্থিত যমুনা অয়েল কোম্পানীর একটি লরি থেকে পাইপ দিয়ে ওই ভবনের নিচতলায় ড্রামে পেট্রল তেল সরবরাহ করা হচ্ছিল। এ সময় তেল সরবরাহকালে হঠাৎ গাড়িতে বিকট শব্দ হয়ে তেলের ট্যাংক লরিতে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তেই তা তিনতলা বিশিষ্ট ভবনসহ আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সাভিসের ৫টি ইউনিট দীর্ঘ ৩ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই ঘটনার পর আহত ৬ জনের মধ্যে নিহত তেল ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের ছেলে মো.রায়হান(২৩) লরির হেলপার নূর মোহাম্মদ(২০) ও মাসুদ হোসেন (২৮) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। ট্যাংক লরি থেকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় বর্তমানে বেলাল হোসেন (৩৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিকে এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক কর্তৃক গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত টিম আজ রোববার তাদের তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেয়েছেন। চাঁদপুর মডেল থানার ওসি ওয়ালি উল্লা ৫জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,এ ঘটনায় চাঁদপুর মডেল থানায় এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আহত ৬জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে। এর মধ্যে অভিযুক্ত ৫জনই মারা যায় এদিকে আজ শনিবার ঘটনার ১০দিন পর চাঁদপুর-৩ আসনের সাংসদ ডা.দীপু মনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
