শাহারিয়ার খান কৌশিক ॥
চাঁদপুর শহরের বঙ্গবন্ধু সড়ক দর্জিঘাট সংলগ্ন মানিক ভূইয়া বাড়িতে এ কেমন বরবরতা সৃষ্টি হয়েছে। নেশাখোর যুবকরা চাঁদার দাবিতে ভাড়াটিয়া কাপড় ব্যবসায়ী মহিলাকে ও ক্রেতাকে আটকে রেখে ব্যাপক শারীরিক নির্যাতন করে গুরুত্বর আহত করে। আহত অবস্থায় নির্যাতিন মহিলা দুজন চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসাপতালে এসে ভর্তি হয়। এ ঘটনায় খবর শুনে চাঁদপুর মডেল থানার এস.আই সাহাবউদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উপস্থিত হলে নেশাখোর চাঁদাবাজরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। নির্যাতিন মহিলা কুলছুমা বেগম বাদী হয়ে চাঁদপুর মডেল থানা অভিযোগ দায়ের করেন।
গতকাল বুধবার দুপুর ২টায় মানিক ভূইয়ার বাড়ি ভাড়াটিয়া কাপড় ব্যবসায়ী কুলছুমা বেগমের বাসায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, দীর্ঘ কয়েক মাস যাবত জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী কুলছুমা বেগম মানিক ভূইয়ার বাড়িতে ভাড়া থেকে কাপড়ের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। ঐ বাড়ির বখাটে কিছু যুবক প্রায় সময় চাঁদা দাবিতে কুলছুমা বেগমকে বিরক্ত করত। ঘটনার দিন ভূইয়া বাড়ির ফজলুল হক ভূইয়ার ছেলে নাছির, বাচ্চু পাটওয়ারীর ছেলে সুমন, সাহাবউদ্দিন ভূইয়ার ছেলে রনি ও তাদের সহযোগী রুবেল সহ বেশ নেশাখোর যুবক কুলছুমার ঘরে এসে বিশ হাজার টাকা দাবী করেন। এসময় কুলছুমা টাকা দিতে অপরগতা স্বিকার করলে নেশাখোররা যুবকরা কুলছুমা কে ও তার কাছে থেকে কাপড় কিনতে আসা হাসনেয়ারা বেগম (২২) কে ঘরের ভিতরে আটকিয়ে রেখে বাহির থেকে তালা মেরে রাখে । এর কিছুণ পর উল্লেখিত নেশাখোর যুবকরা লাঠিসোটা নিয়ে এসে ঘরের তালা খুলে ভিতরে ঢুকে বেদম পিঠিয়ে দুই মহিলাকে আহত করে। ঘরে আটকিয়ে রেখে নির্যাতনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার পূর্বেই নেশাখোর যাবকরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে আহত কুলছুমা ও হাসনেআরা বেগম চাঁদপুর সদর হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নেয়।

