রফিকুল ইসলাম বাবু॥
চাঁদপুর শহরের ট্রাকরোডস্থ খান খড়কে সায়লা উম্মে রাহি (২২) এর মৃত্যুর ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে নিহতের পিতা মোহাইমেন ভূঁইয়া বাদি হয়ে স্বামী জিয়াউল হক মামুনকে প্রধান করে ৭ জনের বিরুদ্ধে চাঁদপুর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার নং ২৭। ১৫-০৯-২০৭ইং। আসামিরা হচেছ -১ স্বমি জিয়াউল হক মামুন,- ২ শ্বশুর তাহের পাট্ওোয়ারী,- ৩ মাহমুদা আকতার মুনমুন,- ৪ শাশুরী রানি আকতার,-৫ লাভলী আকতার,-৬ সেলিম বেপারী,-৭ সিদ্দিকুর রহমান। মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২৮ জুলাই হাজীগঞ্জ উপজেলার টোরাঘর গ্রামের মোহাইমেন ভূঁইয়ার কন্যা রাহি আক্তারের সাথে চাঁদপুর শহরের বটতলা খান সড়কের তাহের পাটওয়ারীর ছেলে মামুন পাটওয়ারীর সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিবাদীগন যৌতুকের টাকার জন্য রাহির উপর অত্যাচার করত। মেয়ের পিতা ছেলের পিতা ও মাতার সম্মূখে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার মৌখিক অঙ্গিকার প্রদান করে। পরে রাহির স্বামী মামুনকে বোন মুনমুনের কাছে র্জামান পাঠাবে বলে ১০ লক্ষ টাকা আনার জন্য বিবাধীগনরা চাপ প্রয়োগ করত। কিছুদিন পর মামুনের বোন মুনমুন ও ভগ্নিপতি সিদ্দিকুর রহমান জার্মান হতে বাংলাদেশে এসে যৌতুকের টাকার জন্য রাহির উপর অত্যাচার ও খাওয়ার কষ্ট দিত। পরে রাহি পরিবারের কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অপরাগত প্রকাশ করে। ঘটনার দিন রাহির শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত করে ও শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার করা হয়। রাহির বাম হাতে, ডান হাতে ও দুই পায়ের গোড়ালিতে যখমের চিহ্ন, প্র¯্রাবের রাস্তা দিয়া এবং নাকে, মুখে রক্তক্ষরণ হইতে দেখা যায়। বিবাধীগন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সায়লা উম্মে রাহিকে হত্যা করে বলে এজহার সূত্রে জানা যায়। এ ঘটনা শুনে চাঁদপুর পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার পিপিএম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রাহি চাঁদপুর সরকারি কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের ৪র্থ বর্ষের ছাত্রী।
