
প্রতিনিধি
মতলব পৌরসভা সদরের রিক্সা স্ট্যান্ড থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তাটি এবং ড্রেনের সংস্কার কাজ চলছে ধীরগতিতে। মতলব পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডে ড্রেন নির্মাণ ও রাস্তা কার্পেটিং কাজে চরম অনিয়ম লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স রিপন ট্রেডার্স ৪৫ দিনের মধ্যে কাজটি শেষ করার নির্দেশনা থাকলেও তা ৮ মাসেও শেষ হয়নি। যথাসময়ে কাজ শুরু করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না করায় জনসাধারণ মারাত্মক দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।
পৌরসভা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে মতলব পৌর এলাকার ওই স্থানে আইইউআইডিপির অর্থায়নে ড্রেন ও রাস্তা নির্মাণের জন্য ৪৭ লাখ ৩০ হাজার ৮শ� ২ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ১৯৩ মিটার ড্রেন এবং রাস্তা ৩শ� ৭১ মিটার হওয়ার কথা থাকলেও কার্যাদেশ অনুযায়ী সংস্কার হয়নি। গত বছরের ৩ জুলাই উক্ত কাজের কার্যাদেশ প্রদান করা হয় এবং মেসার্স রিপন ট্রেডার্স কাজটি পায়। কাজটি ৪৫ দিনে শেষ করার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত কাজটি সম্পন্ন করতে পারেনি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি।
মতলব পৌরসভার জনগুরুত্বপূর্ণ মতলব রিক্সা স্ট্যান্ড থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত রাস্তাটির বর্তমানে বেহাল অবস্থা। একটু বৃষ্টি হলেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। আসছে বর্ষায় মানুষের দুর্ভোগ আরো বাড়বে। এই রাস্তাটি দিয়ে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর ও মতলব উত্তরের শত শত যানবাহন এবং মতলব ডিগ্রি কলেজ, রয়মনেননেছা মহিলা কলেজ, মতলবগঞ্জ জে.বি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ চলাচল করে থাকে। এ রাস্তার পাশেই ড্রেন নির্মাণে চলছে ব্যাপক অনিয়ম। ড্রেন নির্মাণে নির্মানের কংক্রিট, রড, সিমেন্ট ব্যবহার করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। যার ফলে ড্রেন ও স্লাব নি��মানের হয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে এগুলো ভেঙ্গে জনসাধারণ ও স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রী দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রিপন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ফারুক আহমেদের সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে চাইলে শত চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
মতলব পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মোঃ নুরুল আলম জানান, বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব খাতের অর্থ দিয়ে কাজটির ব্যয়ভার বহন করলেও রাজস্ব খাতে বর্তমানে কোনো টাকা না থাকায় কাজটি শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না।
