
শাহরিয়ার খান কৌশিক ॥
বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত মৎস্য সম্পদ রক্ষায় মার্চ এপ্রিল এ দু‘মাস অভয় আশ্রম চলাকালে নদীতে মাছ ধরা এবং যে কোন ধরনের জাল ফেলা নিষিদ্ধ করেছে। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে অসাধু জেলেরা অবাধে মেঘনায় জাটকা নিধনের উৎসবে মেতে উঠেছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় মেঘনায় নৌ পুলিশ নিয়মিত অভিযানের ধারাবাহিকতায় মেঘনায় অভিযান কালে জেলেদের সাথে সংঘর্ষ বাঁেধ। নৌ পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এক রাউন্ড গুলি বিনিময় করে। এ সময় জেলেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে নৌকা থেকে বৃষ্টির মতো ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ৪ পুলিশ আহত আহত করে।আজ শুক্রবার বিকাল সারে ৪ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত সদর উপজেলা সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা ফিরোজ আলমের নেতৃত্বে নৌ পুলিশ অভিযান চালায়। সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ হরিনা ফেরিঘাট দক্ষিনে নন্দীঘাট সংলগ্ন এলাকার মেঘনা নদী থেকে ৩ জনকে আটক করে। আটককৃতরা হলো গোবিন্দিয়া গ্রামের সোনামিয়ার ছেলে শাহজাহান (২৫), মৃত সত্তর বিহারীর ছেলে আবুল হোসেন (৪৫), কাশেম গাজীর ছেলে আরিফ হোসেন (২০)। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আলুর বাজার ফাড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুল হাই বাদি হয়ে মামলা দাযের করেছে।
ঘটনার বিবরনে জানাযায়,মৎস্য কর্মকর্তা নৌ পুলিশ যৌথ অভিযানকালে মেঘনা নদীর হরিনা নন্দী ঘাট এলাকায় ১৫ থেকে ১৬ টি নৌকায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন জেলে অবাধে জাটকা ইলিশ নিধন করতে দেখে। এ সময় নৌ পুলিশের এ এসআই শরিয়তউল্ল্যাহ সঙ্গিয় ফোর্স নিয়ে জেলেদেরকে ধাওয়া করে এবং একটি নৌকা সহ ৭-৮ জনকে আটক করে। ুএ সময় অন্যান্য জেলেরা নৌকা নিয়ে নৌ পুলিশের চারদিকে ঘীরে ফেলে এবং আটককৃতদের ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তারা নৌ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। ঐ সুযোগে নৌকায় থাকা ৫-৬ জন নদীতে ঝাপ দিয়ে পালিয়ে যায। নৌ পুলিশ ৩ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়। জেলেদের ছোড়া ইট পাটকেলে আলুর বাজার ফাড়ির এএসআই শরিয়তউল্ল্যাহ, কামরুল ইসলাম, সদস্য আবুল কাশেম, জালাল আহমেদ আহত হয়। পুলিশ বাঁচার জন্য এ সময় এক রাউন্ড গুলি বিণিময় করে। পরে ঘাতক জেলেরা পালিয়ে যায়। আহত ৪ নৌ পুলিশকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে নৌ পুলিশের ইনচার্জ মোশারফ হোসেনের আলাপকালে তিনি জানান বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত মৎস্য সম্পদ রক্ষায় মার্চ এপ্রিল এ দু‘মাস অভয় আশ্রম চলাকালে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় মেঘনায় নৌ পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
